ফুটপাতে শুয়ে থাকা অসুস্থ এক মায়ের মাথায় দুটি শিশুর পানি ঢালার ছবি নিয়ে আলোচনা যেন থামতেই চাইছে না। এক মহৎপ্রাণ মানুষের চোখে পড়ায় তার আপাতত চিকিৎসা হয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

কিন্তু এই নারীর বেঁচে থাকার যে যুদ্ধ সেই চিত্র পাল্টায়নি এতটুকু।বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর রাজধানীর কলাবাগানে ফুটওভার ব্রিজের নিচে থাকা সেই অসুস্থ মায়ের কথা জানতে পারেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোসাম্মৎ সুলতানা পারভীন। আর এরপরই তিনি সেই অসুস্থ মায়ের দায়িত্ব নেয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই দুই পথশিশু ও তাদের অসুস্থ মায়ের দায়িত্ব নিয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোসাম্মৎ সুলতানা পারভীন। তাদেরকে ফিরিয়ে নিতে বুধবার সকালে রাজধানীর কলাবাগানে ফুটওভার ব্রিজের নিচে অস্থায়ী বাসস্থানে আসেন ডিসি নিজেই।

সেখানে তিনি দুই শিশু ও মায়ের সব রকমের দায়িত্ব নেন। এসময় তিনি শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার নিয়ে আসেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের কুড়িগ্রামে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

ডিসি সুলতানা পারভীন বলেন, আমি ঢাকায় অফিসিয়াল কাজে এসেছিলাম। গণমাধ্যমে সংবাদ দেখে আমি কলাবাগানে তাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। এ অসহায় পরিবারকে আমি সব রকমের সহায়তা করব। তাদের থাকার জায়গা ও ঘর তোলার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে নগদ টাকা দেওয়া হবে।

সুলতানা পারভীন বলেন, দুই শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব আমি নিয়েছি। জেলা প্রশাসন থেকে তাদের সব রকমের সহায়তা করা হবে। সরকার সব শিশুকে প্রাথমিক স্কুলে যাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। এটি আমার সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বের ভেতরে পড়ে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ওই পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তারা যেন কোনো ধরনের অভাবে না থাকে। প্রয়োজনে তাদের হাল-চাষের গরু দেয়া হবে।

এমন অসহায় দুস্থদের জন্য সরকারের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। সেখান থেকেই সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় ঢাকার কুড়িগ্রাম সমিতির মহাসচিব সাইদুল আবেদীন ডলার, সেফটি স্কুলের নির্বাহী সম্পাদক সাখাওয়াত স্বপন ও ফেসবুকে ভিডিও ধারণ করে দেয়া তরুণ পারভেজ হাসান উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এক মা ফুটপাতে শুয়ে জ্বরে কাতরাচ্ছেন আর মাথার কাছে বসে পানি ঢালছে ছোট্ট শিশু সন্তান!এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে রোববার (৮ জুলাই)। সাভার ভলেন্টিয়ার নামের একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পারভেজ হাসান তার ফেসবুকে ভিডিওটি পোষ্ট করে সেখানে বিস্তারতি তুলে ধরেন। তবে এদরে মত অনেকে ফুটপাতে বসবাস করছেন ।হয়তবা একটি চিএ আমাদের সামানে এসেছ।