নিজের মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন পিতা বিল্লাল হোসেন। গতকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরীর আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি বিল্লাল। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পিতা বিল্লাল হোসেনের দ্বারা ধর্ষণের ফলে মেয়ে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় বৃহস্পতিবার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন বিল্লালের স্ত্রী। জবানবন্দিতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে বিল্লাল বলেন, আমি রিকশা চালাই আর আমার স্ত্রী রুনা আক্তার গার্মেন্টে চাকরি করেন। আমরা তুরাগ থানা এলাকায় একটি বাসায় থাকতাম। জানুয়ারির দিকে একদিন স্ত্রী বাসায় না থাকায় মেয়েকে ধর্ষণ করি।
এরপর আরও দুই বার মেয়েকে ধর্ষণ করি। পরে আমার স্ত্রী বিষয়টি জেনে যায়। তবে বিষয়টি যাতে কাউকে না বলে সেজন্য স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার হুমকি দিতাম।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা তুরাগ থানার উপ-পরিদর্শক রেজিয়া আজিম বলেন, নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার তুরাগ থানায় বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী রুনা আক্তার মামলা করেন। বিল্লাল আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
তুরাগ থানার আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বিল্লাল হোসেন জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া ভিকটিমকে জবানবন্দি শেষে তার মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।





