বেশির ভাগ পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। খুব বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিনতাগ্রস্ত থাকলে মিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উত্তেজনা হারাতে পারে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের পুরুষাঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানা কারনে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সৃষ্টি হতে পারে।

সাইকোজেনিক কারনে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা :
১. দাম্পত্য সমস্যা।
২. ধর্মীয় কুসংস্কার।
৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্ত্রনে থাকা।
৪. পূর্বের মিলন অমতার জন্য পাপবোধ।
৫. অকাল বী* র্যপাত।
৬. মিলনতার ব্যাপারে অনাগ্রহ।
৭. মিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় ও দুশ্চিতা।

রোগ নির্ণয় :
যে কোনো ধরণের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। ডাক্তারকে জানতে হয় পুরুষের ক্রমাগত মিলন সমস্যা কেন সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মনোদৈহিক কারনের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পুরুষত্বহীনতা সমস্যায় ভোগে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারকে যে বিষয়গুলো জানতে হয়-

১. রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস।
২. রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস।
৩. রোগীর শারীরিক পরীক্ষা।
৪. রোগীর পুরুষাঙ্গ পরীক্ষা।
৫. ল্যাবটেষ্ট।
৬. মিনেন সোটা মালটিফেজিক পারসোনালিটি ইনভেনটোরি।

রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরী যে, এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয়।

ডাক্তার বুঝতে পারেন পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটি কারণ শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারনে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দেয় দিতে পারে।

রোগীর শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে তার রেসপিরেটোরী এবং কার্ডিওভাসকুলার ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা লক্ষ্য করা।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা :

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসনের কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয় গবেষণা করে থাকেন যে কোনো একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার ভোগে।

এই তিনটি কারণকে বিশ্লেষণ করে তারা এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গবেষণার বিষয তিনটি হলো-

১. মিলনতার ব্যাপারে পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।

২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার মিলনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার মিলন আলোচনা মিলন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।

৩. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারনে স্ত্রীর বা মিলন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোন রোগ নয়। মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।

মিলন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা মিলন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের মিলনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে। মিলনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়।

এবং নারী পুরুষ উভয়েরই উচিত মিলনতার ব্যাপারে একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।

যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের মিলনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানান উচিত।