বর্তমান সরকারের তৎপরতায় আগের দিনের তুলনায় সারাদেশে অনেটা কমে গেছে বাল্য বিবাহ ।তারপরও গোপনে দেশে বাল্য বিবাহ হচ্ছে। এসব বিয়ের খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে বিয়ে ভেঙ্গে দেয় পুলিশ ।এমন একটি ঘটনা ঘটেছে গতকাল বগুড়ায়। জানা গেছে ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বগুড়ায় বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। ৪’শ জনের খাবার মাটিতে ফেলে দেয়ার জনতার তোপের মুখে পরেন তারা।শুক্রবার বগুরার নারুলী খন্দকার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
স্থানীয়রা জানায়, নারুলী খন্দকার পাড়ার দরিদ্র অটোটেম্পু চালক বাবু মিয়া তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে রজনী খাতুনের বিয়ে ঠিক করেন সোনাতলা উপজেলার হলিদাবগা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে রকির সাথে।
শুক্রবার বিয়ের দিন নির্ধারন করে প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ মাস্টারের বাড়িতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দুপুরের পর থেকে সেখানে লোকজন খাওয়া দাওয়া শুরু করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতে উপস্থিতিতে মেয়েকে নিয়ে সরে পড়লেও এসময় তিনজনকে শাস্তি দেয়া হয়। এবং পুলিশ সব খাবার মাটিতে ফেলে দেয়। এসময় জনতা তাদের জিজ্ঞেস করে কি জন্যে তারা এসব ফেলে দিল।
এ ঘটনার ব্যপারে বগুড়া সদর থানার এসআই জিলালুর রহমান বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত দেখে মেয়ের আত্মীয়-স্বজন উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং বিচারকের সঙ্গে খারাপ আচরন করে। যার কারনেই আদালতের বিচারক নিজ হাতে খাবার গুলো মাটিতে ফেলে দিয়েছেন।
তবে, এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, বিয়ে বাড়িতে খাবার কে নষ্ট করেছে তা তিনি দেখেননি। বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে গেলে আদালতের কাজে বাধা দিলে দুই জনকে আটক করে সাজা দেয়া হয়েছে।খাবার ফেলে দেয়া ঠিক হয়নি। এর শুষ্ঠ তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।





