কেমন ধরনের প্রজনন অক্ষম পুরুষের চিকিৎসা করে পিতৃত্ব দিতে পেরেছেন?আপাত দৃষ্টিতে শুক্রাণু নেই এমন পুরুষের কাছে থেকেই বিশেষ পদ্ধতিতে শুক্রাণু খুঁজে নিয়ে পুরুষটিকে পিতৃত্ব দিতে পেরেছে । সত্যি কথা বলতে কি প্রথম সাফল্যের আনন্দে নিজেই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম । বিশ্বাস করতে নিজেরই কষ্ট হচ্ছিল ।

প্রকাশ্যে বলতে ও ভয় পাচ্ছিলাম । কারণ আমাদের দেশে তো সবাই সবকিছু সহজে বিশ্বাস করে না । প্রমাণ দিলেও না । টেস্ট-টিউব বেবির প্রথম গবেষক ডা. সুভাষ মুখার্জিকে নিয়ে তো অনেক ছেঁড়াছেঁড়ি হয়েছে । অভিমানে মানুষটা চলেই গেলেন । তাই সব কিছু সবাইকে তেমনভাবে না জানিয়ে আমাদের এই সাফল্যের খরচ রিসার্চের পুরো পেপার ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল হিউম্যান প্রোডাকশন ;; -এ পাঠিয়েছি আমাদের স্যার ডা. বৈদ্যনাথ চক্রবর্তীর পরার্মশে । জানি না কী হবে । শুধু কলকাতা বা ভারত নয়, পৃথিবীর কোনও দেশেই এ ধরনের পুরুষদের (যাদের শুক্রাণু নেই) পিতৃত্ব দেওয়া আজ পর্যন- সম্ভব হয়নি ।

ব্যাপরটা হল গঊঝঅ-ওটও পদ্ধতিতে আমরা সক্ষম হয়েছি মায়ের কোলে সন-ান দিতে । চিকিৎসা জগতে যাঁরা আছেন তাঁরা গঊঝঅ-ওটও পদ্ধতিটা ভাল বুঝবেন । সাধারণ মানুষের জন্য বলতে পারি অণুবীক্ষণ যনে-র সাহায্যে শুক্রাণু সংগ্রহ করে বাইরে থেকে মহিলার জরায়ুতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বা ইনজেক্ট করা হয় । এমন অনেক পুরুষ আছেন যাদের ধাতুতে শুক্রাণু নেই । অগুকোষে শুক্রাণু তৈরি হচ্ছে কিন’ আসার পথে বাধা। সাধারণভাবে এর জন্য যা চিকিৎসা পদ্ধতি আছে তাতে অপারেশনেও এ পথ খোলা না । ওষধ – ইনজেক্‌শনেও কোনও কাজ হয় না । এই ধরণের পুরুষ সাধারণত ডোনার স্পার্ম নিয়ে সন-ান নিয়ে থাকেন । এই রকম পুরুষের শরীরে মাইনর সিজার করে আমরা শুক্রাণু তুলে নিয়েছি । এই ছোট্র অপরেশনে তিন থেকে চার দিন পেশেন্টকে নার্সিংহোমে থাকতে হয় । খরচ পড়ে ১৫ হাজার টাকা । এ ক্ষেএে আমরা মহিলাদের ডির্স্টাব করি না । অর্থাৎ পরীক্ষা –

নিরীক্ষার প্রয়োজন হলে তবেই ডাকি । শুক্রাণু সংগ্রহের পর তা ক্রায়োতে প্রিজার্ভ করে রাখি । এরপর মেয়েদের পিরিয়ডের ১০-১১ দিন পর থেকে ১ দিন অন-র ১ দিন প্রয়োজনে প্রতিদিন টঝএ করে দেখে নিই পরিণত ডিম্বাণু চরম দিনটি । সাধারণত এটা পিরিয়ডের পর ১৪-১৫ দিনের দিনই পেয়ে যাই । সম্পূর্ণভাবে পরিণত ডিম্বাণুর চরম দিনটিতে সংগৃহীত শুক্রাণু ইনজেক্ট করে দিই ইউটেরাসে । মাএ একঘন্টা থাকতে হয় । কয়েকদিন টঝএ এবং ওই এক ঘন্টা থাকা নিয়ে খরচ পড়ে ৫ হাজার টাকা । মোট ২০ হাজার টাকায় এই পদ্ধতিতে আমরা সন-ান দিতে সক্ষম হয়েছি।
;শুক্রাণু নেই এমন পুরুষের চিকিৎসা কতদিন ধরে চলে এবং কতদিন নার্সিংহোমে থাকতে হয়?

প্রাথমিকভাবে যে চিকিৎসা চলে তা বাড়ি থেকে যাতায়াত করেই করা সম্ভব হয় । পুরুষকে ৩ থেকে ৪ দিন নার্সিংহোমে থাকতে হয় । শুক্রাণু সংগ্রহের পর ৩-৪ দিন বাড়িতে বিশ্রাম নিতে হয় । ৭ দিন পর থেকেই তিনি স্বাভাবিক কাজকর্ম কনতে পারেন, কর্মক্ষেএে যোগ দিতে পারেন । অপারেশনের পর যেটুকু শুক্রাণু পাই তা ক্রায়োতে ফ্রিজ করি । অর্থাৎ শরীর থেকে যে বীর্যটুকু পাই তা অণুবীক্ষণ যনে-র সাহায্যে দেখে যে কটা শুক্রাণু মেলে তা ক্রায়োতে অর্থাৎ অতি শীতলতম অবস’ায় ৪-৫ মাস রেখে দিই । এই অণুবীক্ষণ যন- বিশেষ কিছু নয় । সাধারণ ডাক্তারি লাইনে যে যন- ব্যবহার হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এ তাই -ই ।

পর্যন- এই পদ্ধতি কতজনের মধ্যে প্রয়োগ হয়েছে ? সাফল্যের হার কীরকম ?
আমরা ,৯৯-এ তিনজনের ওপর এই পদ্ধতিতে শুক্রাণু সংগ্রহ করে নারী শরীরে দিয়েছি । প্রথম সাইকেলে অর্থাৎ প্রথম ঋতুচক্রের পরে যা-দিয়েছি তাতে কারও ক্ষেএেই সফলতাই আসেনি । দ্বিতীয়বার দেওয়াতে তিনজনের মধ্যে একজন সফল হয়েছে । গর্ভধারণও করেছে। ৫ এপ্রিল ৯৯ এই নাসিংহোমেই শিশুপুএটি ভূমিষ্ঠ হয়েছে। শিশুটির বাবা ৪৩ বছরের অরূপ রায় এবং মা ৩৫ বছরের সুনীতা থাকেন যাদবপুরের বিজয়গড়ে । বিবাহের ১১ বছর পর তারা সন-ান পেলেন । শ্রী রায়ের ধাতুতে শুক্রাণু ছিল না বলেই এতদিন সন-ান হয়নি । এই পদ্ধতিতে কাজ করতে গিয়ে আমরা দেখেছি, শুক্রাণু যত যত বেশি মাস ক্রায়োতে থেকেছে তত বেশি ভাল ফল দিয়েছে । অর্থাৎ প্রথম অবস’ায় শুক্রাণুর যে গতি ছিল ক্রায়োতে থাকার পর সে যেন বেশি গতিময়তা পেয়েছে । আবার দু মাসে যে গতি ছিল না ৫ মাস ফ্রিজে থেকে আরও বেশি গতির পরিচয় দিয়েছে। আমাদের কাছেও এটা একটা রহস্য ।আপনার গবেষণার সাফল্য নিয়ে আপনি কি নিশ্চিত হতে পেরেছেন

সত্যি কথা বলতে দ্বিধা নেই । ভদ্রমহিলার যখন (সুনীতা রায় ) পিরিয়ড অফ হল, প্রেগন্যান্সি সিম্পটম এল তখন ভদ্রমহিলাকে বলতে বাধ্য হলাম এই সন-ান কি আমার যেভাবে র্স্পাম দিয়েছি তার থেকেই এসেছে নাকি আপনি অন্য কারও সঙ্গে সহবাস করেছেন ? ভদ্রমহিলা দুঃখ পেলেও, অপমানিত হলেও জানালেন, আপনাদের দেওয়া আমার স্বামির স্পার্ম-এই এই সন-ান । তবুও খটকা । এর পর আমরা ল্যাবে গেলাম । স্পার্ম অর্থাৎ শুক্রাণু দেওয়ার সময় কোনও গশুগোল হয়েছে কি না । সেখানে এক উওর –কী করে এ ভুল হবে ? এ তো আলাদা করে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে রাখা স্যাম্পল ! অবশেষে অনেক অপেক্ষা উৎকন্ঠার পর শিশু জন্মাল বাবা-মায়ের মুখের আদল নিয়ে । বাড়ির লোকজনকে বললাম আপনারা মনে করলে ডি এন এ টেস্ট করাতে পারেন। সন-ান আপনাদের বংশের কিনা, আমাদের কোনও আপওি নেই । কারণ আমরা নিশ্চিত এ আমাদের সাধনার ফল । ওরা অবশ্য তা করায়নি ।ওরা সন-ান পেয়েই খুশি । এই গঊঝঅ-ওটও পদ্ধতিতে একবারে সফল না হলে বার বার শুক্রাণু দেওয়া যেতে পারে । তবে সেটা নির্ভর করে কতটা শুক্রাণু পেলাম তার ওপরে ।

-এর গবেষণার খবর তো আমরা জানলাম ২০০১ সালে । এর পর আর কোনও খবর আছে ? অর্থাৎ নতুন কোনও গবেষণার ফল ?
গঊঝঅ-ওটও এর পরে আমরা চঊঝঅ-ওটও করতে পেরেছি। চঊঝঅ হল পুরুষকে আর তিন-চারদিন নাসিংহোমে রেখে ছোট্র অপারেশনের মধ্যে দিয়ে স্পার্ম তুলতে হচ্ছে না । এখন পুরুষের শুক্রাণু তুলে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এর জন্য মাএ ৩ তেকে ৪ ঘন্টা সময় পুরুষটিকে নাসিংহোমে থাকতে হয় চঊঝঅ প্রয়োগ করে ২২ জন পুরুষের শরীর থেকে শুক্রাণু তুলে ক্রায়োতে রাখা হয়েছে । এর মধ্যে ১৯ জনের মধ্যে প্রয়োগ করা শুরু হয়েছে অর্থাৎ জরায়ুতে স্পার্ম ইনজেক্ট করা হয়েছে ।৪ জনের প্রেগন্যান্সি এসেছিল ৩ জনের মিস্‌ ক্যারেজ হয়ে গিয়েছে। একজনের প্রেগন্যান্সি এখনও আছে । সন-ান ভূমিষ্ঠ হলে বলতে পারি পরবর্তী সাধনা সফল ।
আপনার এই সব গবেষণানর সফলতা কোনও নতুন ঘটনার ইঙ্গিত বহন করেছে কি ?
এই ঘটনা চিকিৎসা বি নের একটা ব্রেক-থ্রু ’’। শুধু এই ঘটনাই নয়,২০০১ সালের মধ্যে এমন অনেক কিছু ঘটনা চিকিৎসা জগতে ঘটবে যা হবে একটা বড় ব্রেক-থ্রু”। বিভিন্ন ক্ষেএে যেভাবে গবেষণা হচ্ছে নানা বিষয়ে বিশেষ করে বন্ধ্যাত্ব নিয়ে তাতে বলা যায় হয়তো এমন দিন আসবে যে দিন বন্ধ্যাত্ব বলে কিছু থাকবে না । আমাদের এখানে এমন মহিলাও মা হয়েছেন যার আই. ভি. এফ-এও অর্থাৎ টেস্ট টিউব বেবি হওয়ারও চান্স ছিল না বলা হয়েছিল । বার বার টেস্ট টিউব বেবি নিয়ে ফেলিওর এমন অনেক দম্পতি এখানে এসে সন-ান পেয়েছেন । আমরা ফ্যালোপিয়ান টিউবের ব্লক মুখও খুলে দিয়েছি । এমন দিন আসছে যে দিন সন-ান পেতে এত খরচ হবে না । আবার শুক্রাণু থেকে অনেক শুক্রাণু করা যাবে টিস্যু কালচারের মতোই । তবে মেয়েদের ক্ষেএে বলতে পারি, যে কোনও পদ্ধতিতেই সন-ান হোক না কেন ৩৫ এর নীচে হলে ভাল হয় । ৪০-এর পরে চেষ্টা না-করাই ভাল । কারণ সফলতার হার কমে যায় ।

পুরুষের যৌন সমস্যা ও সমাধান

প্রতিটি মানুষই জন্মগতভাবে যৌবনের অধিকারী। জীবনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে এই যৌবন মানুষের জীবনে আসে। এই সময়টাই মানুষের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান সময়। এই সময়ে নারী ও পুরুষের দেহ-মনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এসময় একই সাথে নারী ও পুরুষদের নানা ধরনের শারীরিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।
মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও নানা ধরনের যৌন সমস্যা রয়েছে। যেমন – প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশেন (সহবাসে স্থায়িত্বের অভাব), ইরেকশন ফেইলিউর (পুরুষাঙ্গের উত্থানে দুর্বলতা), পেনিট্রেশন ফেইলিউর (যৌনাঙ্গ ছেদনে অক্ষমতা) প্রভৃতি। ডাক্তারী বিজ্ঞানমতে, পুরুষদের এসব সমস্যার জন্য যেসব বিষয়কে দায়ী করা হয় সেগুলো হলো:
যার সাথে সহবাসে মিলিত হওয়া সেই মানুষটির সাথে বয়সের পার্থক্য
সহবাসকারী পার্টনারকে অপছন্দ (যেমন: দেহের ত্বক, মুখশ্রী, দেহ সৌষ্ঠব প্রভৃতি)
ডায়াবেটিস

সিফিলিস
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ
যৌনরোগ বা এইডস ভীতি
নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাঙ্গ
দেহে সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
প্রয়োজনীয় যৌন শিক্ষার অভাব

আমাদের মধ্যে অনেকেই লজ্জায় এসব বিষয়ে কাউকে কিছু না বলে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। এ থেকে সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই এসব সমস্যা নিজের মধ্যে লুকিয়ে না রেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ, ভিডিআরএল, টিপিএইচ, এইচবিএসএজি ও রক্তের হরমোন এনালাইসিস এর মাধ্যমে এথেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

এছাড়া আপনি চাইলে ঘরে বসেই এসব সমস্যা সমাধান করতে পারেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় হোম রেমেডি। হবে সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়। রোগের প্রাথমিক অবস্থায় হোম রেমেডি পদ্ধতি প্রয়োগ করে রোগটি নির্মূল করা সম্ভব হয়। যেসকল পুরুষের যৌন সক্ষমতা কম তারা নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
রসুন:
মসলা হিসেবে রসুন আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। ডাক্তারী ভাষায় রসুনকে বলা হয় গরীবের পেনিসিলিন। এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে। যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনার কারণে যৌন ক্ষমতা হারিয়ে গেলে রসুনের মাধ্যমে তা পুণরায় ফিরে পাওয়া যায়। প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়া রসুন কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খেলে হারানো যৌন অক্ষমতা ফিরে পাওয়া যায়। যারা খালি কাঁচা রুসন খেতে পারেন না তারা গমের আটার তৈরি রুটির সাথেও কাঁচা রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীরে স্পার্ম তৈরির মাত্রা বেড়ে যায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে থাকে।

পেঁয়াজ
আমরা অনেকেই জানি পেঁয়াজ খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। সহজলভ্য এই মসলাটি কাম উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে অনেকদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এর ব্যবহার বিধি সম্পর্কে এখন সুস্পষ্ট তেমনকিছু জানা সম্ভব হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা পেঁয়াজ বাটা মাখনের সাথে ভেজে মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, এটি খাওয়ার আগে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাওয়া যাবে না। এটি খেলে দ্রুত বীর্যপাত, ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন প্রভৃতি সমস্যার সমাধান হয়। এছাড়াও পেঁয়াসের রসের সাথে কালো খোসা সহ বিউলির ডালের গুড়া সাত দিন ভিজিয়ে রেখে রোদে শুকিয়ে সেটি নিয়মিত খেলে কাম-উত্তেজনা বজায় থাকে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় থাকে।