বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কুমিল্লায় বাসে পেট্রল বোমায় আটজনকে হত্যার ঘটনায় এক মামলায় জামিন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে কুমিল্লার বিশেষ ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আজ বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেনা আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। সঙ্গে ছিলেন এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল, এ কে এম এহসানুর রহমান, মাসুদ রানা প্রমুখ।
অন্যদিকে জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকার পতনের ডাকে আন্দোলন চলাকালে ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রল বোমা হামলায় নিহত হয় আট জন। এই ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি হত্যার ঘটনায়, একটি বিস্ফোরক আইনে।
গত ২৮ মে কুমিল্লার একটি আদালতে গ্রেপ্তার দেখানো এবং জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়া। সে আবেদন নাকচ করে আগামী ৮ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করেন বিচারক আদালত। কিন্তু তার আগেই ওই আদেশের বিরুদ্ধে গত ৫ জুন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই তাকে ওই দিন বিকালে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই আছেন।





