আজ (১০ জুন) রোববার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জাদুঘরের সংগ্রহকে সমৃদ্ধ করতে আরও এ্কটি ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ঢাকাই মসলিন কাপর যোগ করেছেন । দৃক বেঙ্গল মসলিনের গবেষক সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে এটি গ্রহণ করেন। সাইফুল ইসলাম বলেন, অনেক অঞ্চলে মসলিন উৎপাদিত হতো।
কিন্তু বাংলার মসলিনের চাহিদা ছিলো বিশ্বব্যাপী।এ শিল্পের তুলা গাছ সবখানে পাওয়া যায় না। এ গাছের চাষ করা হয় না প্রায় ১৮০ বছরের উপরে।দৃক (বেঙ্গল মসলিন) একটি ৫শ
কাউন্টের চিকন সুতার মসলিন খণ্ড দেওয়া হয়। ৫শ কাউন্টের মসলিন হলো, এক হাজার গজের একটি সুতার ওজন দুই গ্রাম। এটি ভারতের জয়পুর এলাকায় একটি রাজপরিবারের
কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।রুবী গজনবী বলেন, ব্রিটিশরা পুটি কার্পাস গাছেন বীজ পাওয়ার পরও এতো দূর আগাতে পারেনি যতোটা পেরেছে দৃক, কিন্তু এখন দরকার আরো পৃষ্টপোষকতা।
গত কয়েক বছর ধরে চিন্তাভাবনা চলছে ও তাঁতিদের সঙ্গে মতবিনিময় হচ্ছে। যে ডিজাইনগুলো হারিয়ে গেছে, সেগুলো আমরা পুনরায় তুলে আনার চেষ্টা করছি।
বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের মসলিন রয়েছে। কিন্তু তার প্রধান উৎস ঢাকাতে তাও নেই। তবে আসল মসলিন পুনরায় তৈরি করতে আর খুব বেশি দেরি নেই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, সচিব মো. শওকত নবী, রুবী গজনবী প্রমুখ।





