একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে মনোনয়ন দৌড়ঝাপ । সবাই সবার স্থান থেকে মরিয়া সামনের নির্বাচনের মনোনয়নের টিকেট পেতে। বাংলাদেশের দুইটি বড় দল থেকে মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছে অনেকে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসন। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনে অস্থায়ী নিু মধ্যবিত্তের পাশাপাশি কর্মজীবী মানুষের বসবাস বেশি।জাতীয় সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনাও এ আসনে অবস্থিত। নানা শ্রেণী-পেশার ভোটার থাকায় তাদের মন জয় করাও কঠিন হয়ে থাকে প্রার্থীদের।

ফলে ভোটারদের মন জয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। অংশ নিচ্ছেন নানা সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় অনুষ্ঠানে। বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার পার্টিতে হাজির হয়ে জানান দিচ্ছেন নিজেদের অবস্থান।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ক্ষমতাসীন ঢাকা-১২ আসনপ্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত।

সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান এমপি আসাদুজ্জামান খান কামাল ফের দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন এটা মোটামুটি নিশ্চিত।বিএনপিতে একাধিক প্রার্থী থাকলেও এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মো. শাহাব উদ্দিন।এ ছাড়া যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক কমিশনার আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে ঢাকার আসন সংখ্যা বেড়ে যায়। ওই সময় তেজগাঁও ও রমনার আংশিক এলাকা নিয়ে ঢাকা-১১ আসন গঠিত হয়।ওই আসনে প্রথমবার মনোনয়ন পেয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিনকে পরাজিত করেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে পুনরায় আসন বিন্যাস করা হয়।

ওই সময় তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা, শেরেবাংলা নগর ও রমনার আংশিক এলাকা নিয়ে হয় ঢাকা-১২ আসন। ওই নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিজয়ী হয়ে তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান।