আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন অপরাধ করে পার পাবে না কেউ। কোনো অপকর্ম সহ্য করা হবে না জানিয়ে কারও ভালো না লাগলে আওয়ামী লীগ ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, কারও মনে কষ্ট দেয়া যাবে না। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
রোববার (২৭মে) সন্ধ্যায় নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে এক ইফতারের আগে বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এর আয়োজন করে।
মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার অনুরোধ করে দলের নেতা-কর্মীদেরকে কাদের বলেন, ‘কারও মনে কষ্ট দিয়ে নেতা হওয়ার চেষ্টা করবেন না। কারণ ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আজ আছি কাল হয়ত নাও থাকতে পারি।’‘কারও ভালো না লাগলে চলে যান, তবে দলে থেকে কোনো অপকর্ম করলে তা সহ্য করা হবে না।’
রাজনীতিক হিসেবে উদাহরণ তৈরি করারও দাবি করেন কাদের। বলেন, ‘এমপি হয়েছি, মন্ত্রী হয়েছি। তারপরেও আমি কোনো সংবর্ধনা নিইনি, গেইট করতে দেইনি। আমার এগুলো দরকার নেই। আমি মানুষের মাঝে আছি, থাকব।’নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিলবোর্ডে ছবি দিয়ে নেতা হওয়া যায় না, কাজ লাগবে, কীর্তি লাগবে।’
তার ছবি দিয়ে যেসব বিলবোর্ড টানিয়েছেন, সেগুলো অতিসত্তর নামিয়ে ফেলারও নির্দেশ দেন কাদের। বলেন, ‘না হয় আমি নিজে এসব বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলব।’‘আমি উড়ে এসে জুড়ে বসে নেতা হইনি। আমি তৃণমূল থেকে বড় নেতা হয়েছি, আমার নেত্রী আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করেছেন। আমার নেত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এখানে আমার জন্ম, আপনারা আমাকে ভালোবাসেন এবং ভোট দেন বলেই আমি এমপি হই, মন্ত্রী হই।’
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাহাব উদ্দিন, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফ, স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত প্রমূখ।





