জীবিত ছেলেটিকে হাত পা – সেই সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ সবসময় আজব আর অদ্ভুত কাজ করতে বেশি আগ্রহী ছিলো। মানুষের সেই সহজার পবৃত্তি এখনও কমেনি বড়জোর বেড়েছে। অনেক মানুষ সবসময় চেষ্টা করে েএমন কাজ করতে যা দেখে অন্যরা আশ্চর্য হতে বাধ্য হয়। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

তেমনই একটি কাজ করল এই ছেলেছি। মাটির নিচে হাত পা বেধে মাটি চাপা দিয়ে রাখ হলো ছেলেটিকে প্রায় দুই ঘন্টা। তারপর সেই ছেলেটি মাটির ভিতর থেকে আবার জীবিত আর সুস্থ বের হয়ে আসল।

ইয়াবা বেচেই শত কোটি টাকার মালিক শিল্পপতি সাইফুল

হাজি সাইফুল করিম। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে হয়েছেন ব্যবসাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি)। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বিস্তৃত তাঁর ব্যবসা। কক্সবাজারের টেকনাফের বাসিন্দা হলেও বাস চট্টগ্রামে। ‘এস.কে. ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তিনি।

গার্মেন্ট, আমদানি-রপ্তানি, কার্গো ও জাহাজের ব্যবসা রয়েছে তাঁর। চট্টগ্রাম শহরের কাজীর দেউড়ি ভিআইপি টাওয়ারে রয়েছে তাঁর একাধিক অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট। কক্সবাজারের কলাতলী পয়েন্টে হোটেলও নির্মাণ করছেন।

মাত্র এক যুগের ব্যবধানে সিআইপি শিল্পপতি সাইফুল এখন শত কোটি টাকার মালিক। অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর এই ফুলে-ফেঁপে ওঠা আলাদিনের চেরাগের নাম ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএসসি) ও গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় দেশের সবচেয়ে বড় ইয়াবার ডিলার এই সাইফুল করিম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিয়ানমারের মংডুর প্রস্তুতকারীদের কাছ থেকে দেশে সরাসরি ইয়াবার চালান নিয়ে আসা এবং চট্টগ্রামে নিয়ে পাচার করার শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে সাইফুলের। তাঁকে আন্তর্জাতিক ইয়াবা কারবারিও বলা হচ্ছে। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও টাকার দাপটে বরাবরই থেকে যাচ্ছেন আড়ালে।

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে প্রভাবশালী সাইফুল কিছুটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়লেও বহাল তবিয়তেই আছেন। অভিযোগ উঠেছে, জসিম উদ্দিন নামে চট্টগ্রামের এক ওসির সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘ্নে ইয়াবার সাম্রাজ্য কবজা করে রেখেছেন সাইফুল। টেকনাফের সংসদ সদস্য বদির পাঁচ ভাই ও আত্মীয়দের বাইরে একমাত্র সাইফুলেরই রয়েছে নিজস্ব ইয়াবা সিন্ডিকেট।