সারাদেশে প্রতিদিনেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে । লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো মেয়ে ।এর জন্য আত্মহত্যার পথ বেচে নেয় অনেক কিশোরি। এমনি এক চাচার লালশার শিকার হলেন ভাতিজী।জানা গেছে ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ভোলার লালমোহনে এক লম্পট চাচার লালসার শিকার হয়ে ভাতিজী ৫ মাসের অন্তঃসত্বা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একাধিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ানের ৫ নং ওয়ার্ডের জাবেদ আলী মাঝি বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ীর কামালের ১৫ বছরের কন্যার দিকে তার আপন চাচাতো ভাই ফরহাদের কুদৃষ্টি পরে। এর ফলে বর্তমানে ওই কন্যা অন্তঃসত্বা হয়ে পড়ে। বিচারের জন্য ওই মেয়ে ফরহাদের ঘরে অবস্থান করছে। তবে বিচারের ভয়ে এলাকা ছেড়েছে ফরহাদ।
ওই মেয়ের ভাষ্যমতে, তার বাবার আপন চাচাতো ভাই ফরহাদ দীর্ঘ ৫-৬ মাস আগে তাদের ঘরের জানালা ভেঙ্গে তার রুমে প্রবেশ করে। সে সময় তাকে জোর করে নেশা দ্রব্য খাইয়ে তার সাথে যৌন সর্ম্পক গড়ে তোলে। এরকম করে বেশ কয়েক দিন তার সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হয় ফরহাদ। বেশ কয়েক দিন ধরে তার বমি বমি ভাব হলে সে সম্প্রতি ডাক্তারের সাথে কথা বললে জানতে পারে সে ৫ মাসের অন্তঃসত্বা।
ওই মেয়ে আরো বলেন, ফরহাদের ঘরে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। আমি তার এধরণের কাজের কঠিন বিচার চাই। আর যতদিন এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হবে, ততদিন আমি এ ঘরেই থাকবো।
এব্যাপারে ফরহাদ গ্রামে না থাকায় ও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার বাবা জালাল মাষ্টার জানান, এই মেয়ের সকল অভিযোগ মিথ্যা। সে কয়েক মাস আগে অন্য ছেলের সাথে চলে গিয়েছে, হয়তো সেখানে গিয়েও এমন হতে পারে। কিন্তু আমার ছেলে এ কাজ করেনি।
এমন ঘটনার বিষয়ে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেমজানান, আমি ঘটনা শুনেছি। এ ঘটনা একবারেই বেমানান ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা ।যদি ওই মেয়ের কথা সত্যি হয় তাহলে অইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর খায়রুল কবির বলেন, আমাকে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘটনা জানিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ করা হয়নি। মামলা দায়ের করলে পুলিশ অবশ্যই দ্রুত আইনানু ব্যবস্থা নিবে। অপরাধী কোন পার পাবে না।





