গণতন্ত্রকে যারা বিশ্বাস করে দেশে এবং বিদেশে তাদের বিশ্বাস হচ্ছে নির্বাচনের মাধ্যমে বিপ্লব ঘটানো। চরমপন্থার মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনকে তারা বিশ্বাস করে না। বিএনপি যে পন্থা বিশ্বাস করে তা হলো নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন কিন্তু সেই পথটি এখন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

খুলনায় সর্বশেষ যে নির্বাচনটি হয়েছে তা প্রমাণ করে যে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডারবাহিনী সব একাকার হয়ে গেছে। তারা সবাই একে অপরের পিঠ চুলকাচ্ছে। এক পথে তারা চলাফেরা করছে।’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশে স্বাভাবিকভাবে সরকার পরিবর্তনের রাস্তাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতেও এখনও বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনকে প্রধান বিষয় মনে করে কিন্তু সেই পদ্ধতি বন্ধ হয়ে গেলে সেই পথকে ফিরিয়ে আনতে গণঅভ্যুত্থানের পথ বেছে নেবে। এটা কোনো বিপ্লবী পথ না এটা সাংবিধানিক পথ, নির্বাচন এবং গণঅভ্যুত্থান।

আজ ২১ মে দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগ খালেদা জিয়া এবং তার ব্যক্তিগত সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে এক মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ১২৫ অনুচ্ছেদেও বলা আছে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন সমস্ত ক্ষমতা বহন করে কিন্তু খুলনায় তারা তো সেভাবে চলেই নাই বরং পুলিশ-প্রশাসন এবং সরকার তাদেরকে যেভাবে চলতে বলেছে তারা সেভাবে চলেছে এবং সর্বশেষ তারা বলেছে নির্বাচন ভালো হয়েছে।’

‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কি জেলে মৃত্যুবরণ করবেন?’ নেতাকর্মীদের প্রতি এমন প্রশ্ন রেখে ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘এই প্রশ্ন যারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে গণতন্ত্রকে মানে তাদেরকে একটু ভেবে দেখতে হবে।’

এসময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াসহ অনেকেই কারাগারে আছেন। অনেকেই ম্যাডাম কারাগারে যাওয়ার আগে বলেছিলেন আমরা আন্দোলন করবো বেগম জিয়া জেলে গেলে। আন্দোলনের জন্য আহ্বান করা লাগবে কেন? খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে, পরে করা হয় আমাকে। আমরাতো কারাগারে আপনাদের জন্য বিছানা খাবার রেডি করে ছিলাম আপনারা আসবেন বলে।’