বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া ইসলামিয়া দারুসসুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. আবু হানিফার (৫৫) মাথায় মল ঢেলে অপদস্থ করে উল্লাস করার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
মামলার পর খুজে ইমামের মাথায় মল-মূত্র ঢেলে দেওয়ার ঘটনার মূল নায়ক সেই সোহেল খন্দকার অবশেষে পুলিশের খাঁচায় বন্দি করতে পেরেছে। দুর্ধর্ষ এই তরুণই একসময়ের ছাত্রদল নেতা সোহেল খন্দকার ওরফে চোরা সোহেল।
যাকে বাকেরগঞ্জবাসী চোর ও ছিনতাইকারী হিসেবেও চেনেন। নামের সার্থকতার পরিচয় সে বিভিন্ন সময় দিয়ে এসেছে। তবে এবার একটু ভিন্নভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে খবরটি ভাইরাল হয়ে যায়। তার এমন ঘৃণ্য ও জঘন্য কর্মকান্ডের ভিডিও বিশ্বের মুসলমানের দিকে আঙ্গুল তুলেছে।গত ১১ মে (শুক্রবার) ফজরের নামাজ শেষে বাকেরগঞ্জের রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাৎ দাখিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সুপার
মাও: মো: আবু হানিফা হুজুরের মাথায় মানুষের মল ঢেলে লাঞ্ছিত করা হয় এবং বিষয়টি নিয়ে বারাবারি করলে হত্যা করবে বলে হুমকি দিয়ে একটি ভিডিও ফুটেজ তৈরী করে তা ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া হয়। সেখানে ইসলামকে একটি ঘৃণ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে। সেই ভিডিওটি দেখে শুধু বাংলাদেশ নয়, বহিরবিশেও সমালোচনার ঝড় ওঠে।ওই ভিডিওতে লাল শার্ট পরিধেয় যে উগ্রবাদী সন্ত্রাসী লোকটি ইমাম সাহেবের হাত মুচরিয়ে ধরে রেখেছে এবং পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে মল মাথায় মাখিয়ে দিয়েছে সেই সোহেল খন্দকার ধরা পড়ায় বাকেরগঞ্জবাসীর খুশি হয়েছেন।
এলাকা বাসির একটাই দাবি এই কর্মকাণ্ডে যারা জরিত তাদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় এনে বিচার করার জন্য । আর যাতে কেউ এই রকম কর্মকাণ্ড করতে সাহস না পাই।





