নারীকে পুরুষের চাইতে আরো যে বিষটি স্বতস্ফূর্তভাবে পৃথক করেছে ,তা হলো নারীর গোপনাঙ্গ। পুরুষের গোপনাঙ্গ বহিঃমুখী অথচ নারীর মিলনাঙ্গ নেই , তবে নারীর গোপনাঙ্গ হিসেবে রয়েছে যোনি। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এই যোনির মাধ্যমেই নারী পুরুষের সাথে গোপনাঙ্গ মিশে যায়। যোনি উত্তেজনার সময় পিচ্ছিল হয়ে উঠে। কেননা উত্তেজনার সময় নারীর গোপনাঙ্গ থেকে তরলের রণ হতে থাকে ।
নারীর গোপনাঙ্গ স্বাভাবিক আকারে ৯ সেঃমিঃ প্রায় সাড়ে তিন ইঞ্চি। তবে এটি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয় যেমন মিলনের সময় , সন্তান জন্মের সময় এমনকি হস্তমৈথুনের বা স্বমেহনের সময়। নারীর গোপনাঙ্গের সাথে সম্পর্কযুক্ত একই মাত্রার অঙ্গ হলো সারবিঙ । নারীর গোপনাঙ্গে প্রায় ত্রিশ রকমের কৌশিক কলা রয়েছে । এগুলো গভীর এবং মিলনের সময় পুরুষাঙ্গের চাপ এটি সহ্য করে নিতে পারে । নারীর গোপনাঙ্গ থেকে সাধারণত ল্যাকটিক এসিড নি:স্বরিত হয়। একে মিলনরস বা মিউকাস বলা হয় । এটি মিলন উদ্দিপক এক প্রকার তরল । বিস্তারিত ভিডিও থেকে জেনে নিন...
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন





