আমার ৩ মাস মাসিক হয়নি,,,প্রেগনেন্সি টেস্ট করে নেগেটিভ আসছে।৩ মাস না হওয়ার কারণ কি?কি করলে আবার মাসিক হবে? আপনি গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

মাসিক বন্ধের কারণ সমূহ 

1.জরায়ু বা ডিম্বানুতে চর্বি হওয়া
2. এভোশনের কারনে আঘাত লাগা
3. সিস্ট হওয়া
4. টিউমার হলে
5. অতিরিক্ত ইমার্জেন্সি পিল বা এম এম কিট সেবন করলে। বা জরায়ু এর সাথে যুক্ত এমন কোন অসূখ হলে। মাসিক বন্ধ হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞ গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

নারীর জীবনে দু’তিনটে পর্বে পিরিয়ড বা মাসিক অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। মেনার্কি বা মেন্সট্রয়েশন শুরুর সময়ে। এ সময় ওভারি ততটা পরিপক্ব হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ কর্মক্ষমতা দেখা যায় না। খেয়াল করে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪ মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে। তবে সন্তানকে ব্রেস্ট ফিডিং করালে এ পর্ব আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ তো সবারই জানা যে মধ্য বা শেষ চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য তৈরি হয়। মেনোপজের আগে তাই পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।

মাসিক ইরেগুলার বা অনিয়মিত কিনা বুঝবেন কীভাবে? উপরে উল্লেখ করা সময় ছাড়া যদি দুই পিরিয়ডের মধ্যে ৫ সপ্তাহের বেশি ব্যবধান হয় তবেই বুঝবেন সমস্যা হয়েছে। তবে জীবনে অনেক ঘটনা আছে যা যৌন হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে। তাতেও পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।

স্ট্রেস :
মানসিক চাপ রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেমকে সহজেই প্রভাবিত করে। পরীক্ষার সময় এমন হয়, খেয়াল করেছেন? পিরিয়ডে একটু গোলমাল। কখনও নিকটাত্মীয় মারা গেলে বা দারুণ অসুস্থ হলে। বাড়ি বদলালে অথবা চাকরি চেঞ্জ করলেও দেখবেন প্যাটার্নটা বদলে যায়। স্বাভাবিক সুস্থ জীবনে ফিরে গেলেই কিন্তু সব ঠিক হয়ে যায়।

বডি ওয়েট :
ওজন ধুম করে বাড়লে বা কমলে নর্মাল সাইকল ব্যাহত হয়। আগে যা শরীরের ওজন ছিল, সেখানে ফিরে গেলেও মাসিক আবার আগের মতো স্বাভাবিক হতে একটু সময় লাগে।

ডায়েট :
হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেলেন বা ক্র্যাশ ডায়েট প্রোগ্রাম শুরু করলেন। আপনি অবশ্যই সমস্যা ডেকে আনলেন। পিরিয়ড ধুম করে বন্ধ হতে পারে কিংবা একেবারে অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।

এক্সারসাইজ :
কথা নেই বার্তা নেই, প্রচুর ব্যায়াম শুরু করে দিলেন। মাসিকের যে নিয়মিত চক্র, তা বিঘিœত হতে পারে। আসলে বডি ফ্যাট হঠাৎ কমলে হরমোনে বৈষম্যের ফলে ওভারির ফাংশন পরিবর্তিত হয়।

ক্রনিক অসুখ :
কিছু অসুখ আছে যা লম্বা সময় ধরে ভোগায়। যেমন ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যাজমা, টিবি বা যক্ষ্মা, ক্যান্সার। মাসিক বন্ধ হয়েও যেতে পারে, কমতে তো পারেই।

ড্রাগ :
অনেক ওষুধ রয়েছে যা নর্মাল পিরিয়ডকে ব্যাহত করে। যেমন অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট। লিভারে প্রতিক্রিয়ার জন্য হরমোন লেভেলে রদবদল হয়। যেসব কন্ট্রাসেপটিভে প্রজেস্টোরেন রয়েছে তা থেকেও কিন্তু পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড বন্ধও হয়ে যায় অনেক সময়।

মনে রাখতে হবে হরমোনের ভারসাম্যের জন্যও কিন্তু ওভ্যুলেশন ডিসঅর্ডার দেখা দিতে পারে।

নারীদের মাসিক বা পিরিয়ড সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে ৪ টি কার্যকরী ব্যায়াম
মাসিক নিয়ে সমস্যা প্রায় সব নারীদেরই বিব্রত করে। অনিয়মিত পিরিয়ড, তল পেটে ব্যথা, স্তনে ব্যথা এই সমস্যা গুলোতে বেশিরভাগ নারীই ভুগে থাকে। তাই মাসিকের এই ধরণের সমস্যা দূর করতে অবশ্যই নিয়মিত এক্সারসাইজ করা উচিত।