এ সময় মুখে কিঞ্চিত হাসি থাকলেও চুপ ছিলেন একসময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী।পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার ব্যাপারে দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমরা কয়েকবার এটার তারিখও ঘোষণা করেছিলাম, কিন্তু অনুমতি না পাওয়ায় আমরা তা করতে পারিনি। আগামী ২৯ তারিখে এ সভাটা করতে চাই। আর এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য এসেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সভা করার ব্যাপারে সাধারণভাবে কোনো আপত্তি নাই। তবে এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আজকেই কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।’

‘প্রাসঙ্গিক অনেক বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নানাভাবে নিপীড়ন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন অনেকে কারাগারে ছিল, কেউ কেউ এখনও আছে। আর অতি সাধারণ কর্মী, যারা গরীব তারাও প্রচুর গ্রেপ্তার হচ্ছে। আমরা বলেছি, আমাদেরকে গ্রেপ্তার করুন, কিন্তু সাধারণ কর্মীরা, বিশেষ করে নারী কর্মীরা কষ্ট পাচ্ছে, এটা বন্ধ করুন।’

তিনি বলেন, ‘উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) এটা সিরিয়াসলি নিয়েছেন।’

সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রেসপন্স পজেটিভ’ বলেও জানান নজরুন ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে ইতিবাচক মনে হয়েছে। তবে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আসলে আশাবাদীতো সব মানুষেরই হওয়া উচিৎ। কিন্তু নিরাশার অনেক ঘটনা আমাদের আছে। আমরা আরও নিরাশ হব, এটা আশা করি না। কিন্তু যে পর্যন্ত আমরা ইতিবাচক ফল না পাই, সে পর্যন্ত খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার ডিএমপির কাছে আবেদন করেছি, কিন্তু অনুমতি পাইনি। এজন্য আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসলাম। এরপরেও যদি অনুমতি না দেয়া হয়, তাহলে আর কি করার আছে? রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন করা দেশে আমরা গণতন্ত্রের অনুশীলন করতে চাই, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চাই।’