আমি কোন রাজনীতি বা দল করিনা। তবে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এতটুকু বলতে চাই, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় নির্বাচনী দল। বিএনপি নির্বাচনে না আসলে তাদের দল টিকিয়ে রাখতে পারবেনা। দেশে বিএনপির সর্মথন নাই সেটা বলব না। কিছুটা হলেও সমর্থন আছে।
কিন্তু বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ে যারা রয়েছে তারা অপরিপক্ক, অপরিকল্পিত, অগোছালো। তাঁরা সিন্ধান্ত নিতে ভুল করে’ কথা গুলো বলছিলেন বেসরকারি চাকরীজীবী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ।
তিনি আরও বলেন,‘ শেখ হাসিনা গতবার নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে আহবান করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশ জুড়ে জ্বালাও পুড়াও শুরু করে। যে ভুলের মাশুল বিএনপিকে এখন দিতে হচ্ছে। তাঁদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তাদের দলের এই অবস্থা। সব কিছু মিলেয়ে যদি বলি তাহলে বিএনপি যদি নির্বাচনে বা সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে চায় এটা তাদের দলের জন্য ভালো হবে। তবে সরকারি দলকে এবিষয়ে আরও ভূমিকা রাখতে হবে।’
কয়েকদিন ধরেই বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাচ্ছে বা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে চাচ্ছে এমনটি শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে সাধারন মানুষের মতামত নেয়া হচ্ছিল রাজধানীর শাহবাগ ও ধানমন্ডি এলাকা থেকে।
বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া ও যেতে চাচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপি পুরানো রাজনৈতিক দল। তাঁরা যদি নির্বাচনে আসে। তাহলে সবার জন্যই ভালো।’
এ বিষয়ে আরও কয়েকশ্রেনীর পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে আলাপ করা হয়। বিএনপি নির্বাচনে যেতে চাচ্ছে বিষয়টিকে সবশ্রেণির মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন, প্রাইভেটকার চালক ওমর ফারুক বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসলে ভালোই হবে। গতবছরের মতো জ্বালাও পোড়াও না করে তারা নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে এটা আমাদের জন্য ভালো খবর। কারণ দেশে অস্থিরতা হলে সেটা আমাদের জন্যই ক্ষতি।
ছুটির দিনে বন্ধুদের নিয়ে চা খাছিলেন নিয়াজ মাহমুদ। তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে, মাহমুদ ও তার বন্ধুরা বলেন, শুধু বিএনপি নয়, এর বাইরে যে সমস্ত রাজনৈতিক দল রয়েছে। সবারই উচিত আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত। যাতে করে আমরা উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারি।





