বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদের ‘তৎপরতা’ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, মওদুদ আহমেদের সাম্প্রতিক তৎপরতার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য আছে।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে চেতনা একাত্তর আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মওদুদ আহমেদের তৎপরতা এখন বেশি দেখা যাচ্ছে। তিনি যখনই তৎপর হন তখনই একটা উদ্দেশ্য থাকে। তিনি যখনই তৎপর হয়েছেন তখনই পল্টি মেরেছেন। তিনি এখন বেশি তৎপর হয়েছেন। এটা কি পল্টি মারার পূর্বলক্ষণ কি না তা ভবিষ্যৎ বলে দেবে।’

বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভোট চাওয়াকে বেআইনি বলেছেন মওদুদ আহমেদ। সেই প্রসঙ্গ টেনে হাছান মাহমুদ বলেন, জনগণের ভোটে শেখ হাসিনা নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নৌকা মার্কায় তাঁর সারা বছরই ভোট চাওয়ার অধিকার রয়েছে। এতে আইনের লঙ্ঘন হয়নি। নির্বাচন কমিশনের নীতিরও ব্যত্যয় হয়নি। নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরে হলে বিএনপি প্রশ্ন তুলতে পারত।

মওদুদ আহমেদসহ বিএনপির আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যে আইনজীবীরা মনে করেন বেগম খালেদা জিয়া জেলে থাকলে বিএনপির ভোট বাড়ে সেই আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার মামলায় আইনি লড়ায়ে থাকলে তাঁর জেল থেকে বের হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বিএনপির আইনজীবীদের অনুরোধ করেন তাঁদের নেত্রীর মুক্তির জন্য আন্তরিক হতে।

চেতনা একাত্তরের প্রধান উপদেষ্টা চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়িকা সাহারা বেগম কবরীসহ প্রমুখ।