বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কমপক্ষে আরও ১৫ কার্য দিবস কারাবাসে থাকতে হবে। সোমবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে আদালত বলেছে নিন্ম আদালত থেকে এ মামলার নথিপত্র আসার পর জামিন আবেদনের উপর আদেশ দেবেন আদালত।
আদালতে জমিন শুনানি শেষ হওয়ার পরে সংবাদ সম্মেলন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদার জামিন শুনানির বিষয়ে তিনি বলেন, নিন্ম আদালত থেকে এ মামলার
নথিপত্র আসার পর জামিন আবেদনের উপর আদেশ দেবেন আদালত।
তিনি আরও বলেন, নিম্ন আদালত থেকে নথিপত্র পাঠাতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নথিপত্র আদালতে আসবে বলে জানান তিনি।
তার এ বক্তব্যে এটা প্রতীয়মান হয় যে, আরও ১৫ কার্যদিবসের আগে খালেদার জামিন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
এ মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন মামলার বিচারক ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান।
মামলার অন্যান্য ৫ আসামীকেও ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সাজা প্রাপ্ত অন্য আসামীরা হলেন- সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান। মামলায় শুরু থেকে পলাতক আছেন তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান।
রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের ২কোটি ১০লক্ষ ৭১ হাজার টাকা সমপরিমান জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে।





