দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে গেলেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভাগ্য আদালতের রায়ে নির্ধারিত হবে না বলে মনে করেন ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ। তার আশা, আগামী নির্বাচনে খালেদা জিয়াও অংশ নেবেন এবং দেশে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার রাতে বেসরকারি চ্যানেল এসএ টিভির একটি টক শোতে যোগ দিয়ে পার্থ এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপি ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ টি ইউ তাজ রহমান।
এই সময় পার্থ বলেন, খালেদা জিয়ার মামলাটি পলিটিক্যাল। এ ধরনের পলিটিক্যাল মামলা ভারতের ইন্ধিরা গান্ধী থেকে শুরু করে জয়ললিতা পর্যন্ত অনেকের নামে হয়েছে। আমি একটি কথা বলব, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মতো নেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কলমের খোঁচা দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। ইতিহাস এ কথা বলে না। কারণ তাদের ব্যক্তিত্ব অনেক উপরে।’
আন্দালিব রহমান বলেন, জনগণ আশা করছিল দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পাল্টাবে, প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে। কিন্তু খালেদা জিয়ার রায়ে সেটা আরও বেড়ে গেছে।
খালেদা জিয়ার মামলাটির মেরিট নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই আইনজীবী বলেন, আমি নিজে একজন ব্যারিস্টার। মামলার মেরিট নিয়ে আধা ঘণ্টার টক শোতে আলোচনা করা সম্ভব নয়। যারা এ ব্যাপারে জানেন তাদেরই এটা নিয়ে কথা বলা উচিত। আমি এতটুকু বলব, এই মামলায় এক শতাংশ প্রভাবও যদি থেকে থাকে সরকারের তাহলে এটা ন্যায়বিচার বহির্ভূত। কতখানি প্রভাব আছে সেটার দায়-দায়িত্ব জনগণের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি।
২০ দলীয় জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনে শঙ্কা আছে কি না এমন প্রশ্নে পার্থ বলেন, আমাদের নেত্রীর বয়স হয়েছে এছাড়া আমাদের বা ২০ দলের শঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। এই পরিস্থিতি রাজনীতিতে আগেও ফেস করা হয়েছে। ওয়ান ইলেভেনের সময়ও ফেস করা হয়েছে। এটা নতুন কিছু নয়।
খালেদা জিয়ার মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই মামলাটিকে চুরির মামলা বলে বলে প্রতিষ্ঠা করাই আওয়ামী লীগের কাজ। যেভাবে কোরআন পোড়ানোর কথা বলে হেফাজতকে, দুর্নীতিবাজ বলে এরশাদকে, গুণ্ডা বলে জাসদকে ঘায়েল করত একসময়। এটাই আওয়ামী লীগের চরিত্র। এগুলো তাদের সাজানো।





