জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের সার্টিফাইড কপি না পাওয়ায় এই সাজার বিরুদ্ধে রবিবার উচ্চ আদালতে আপিল ও জামিনের আবেদন করতে পারছেন না তার আইনজীবীরা এমনটাই জানা গেছে।
তাই এ কারণে আরো কিছু দিন কারাগারেই থাকতে হচ্ছে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। এ ব্যাপারে অবশ্য বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রায় ঘোষণার দিনেই বেগম জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান সাংবাদিকদেরকে বলেছিলেন, ‘রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি পাওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেছি।
রায়ের অনুলিপি পেলে আগামী রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আমরা এ মামলার আপিল করব। আমরা বিচারকের স্বাক্ষর সহ রায়ের একটি ফটোকপি চেয়েছি। সেটা পেলেও আমরা আপিল করব।’জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার দিনেই সার্টিফাইড কপি পেতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে আবেদন করেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার দেখাশোনার জন্য একজন উপজেলারকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিএনপি নেত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার ব্যক্তিগত পরিচারিকা মোছাম্মৎ ফাতেমাকে তার সঙ্গে কারাগারে থাকার অনুমতি দিয়েছে আদালত। বিএনপি নেত্রীর জন্য সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অভিযোগ করেন, তার দলের নেত্রীকে কোনো সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়নি।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদির মতো রাখা হয়েছে।এতেই প্রমাণ হয় সরকারের রুচিবোধ কতটা নিচে!’‘আসলে কী ঘটছে, তিনি কেমন আছেন, আমরা কিছুই জানি না। সরকারের কাছে জানতে চাই। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে কিভাবে রাখা হয়েছে, তিনি কেমন আছেন?’।প্রধানমন্ত্রীর ‘প্রতিহিংসা’ থেকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দিয়ে তাকে কারাগারে নেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, জনগণের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হবে।





