বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ কারাগারে রাখা হয়েছে। তাকে সাধারণ কয়েদীদের খাবার দেয়া হচ্ছে।

তার কোনো ক্ষতি হলে দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি জানিয়েছে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে রুদ্ধদার বৈঠক করেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের কাছে মির্জা ফখরুল এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে গণতান্ত্রিক অন্দোলন চালিয়ে যেতে বলেছেন।

বিএনপি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন ঐক্যবদ্ধ রয়েছে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, মিথ্যা মামলায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে কারাদণ্ড দেয়ায় দেশবাসী সরকারকে ধিক্কার দিচ্ছে।

এসময় খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত, জরাজীর্ণ কারাগারে একাকী রাখা হয়েছে। তাকে ডিভিশন না দেয়ার নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাব হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মেজর জেনারেল (অব) রুহুল আলম চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ প্রমুখ।

চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদ মো. আবদুল কাইয়ুম, আবুল খায়ের ভুইয়া, গোলাম আকবর খন্দকার, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, এম এ হক, অ্যাড তৈমুর আলম খন্দকার, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, ফরহাদ হোসেন ডোনার প্রমুখ।

যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন এ্যানি চৌধুরী প্রমুখ।

গুরুতর অসুস্থ থাকায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বৈঠকে আসেননি। এবং অসুস্থ থাকায় বৈঠকে উপস্থিত হয়ে চলে যান স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।