তীব্র উত্তেজনার গনগনে আঁচে ফুটছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার, বিএনপি নেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ‘জিয়া অরফানেজ’ (অনাথ আশ্রম) দুর্নীতি মামলার রায়দান করবে আদালত৷ রায়দানকে কেন্দ্র করে ছড়াতে পারে হিংসা। এমনকী, বড়সড় নাশকতার ঘটনাও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সামলাতে তৎপর হয়েছে সরকার। বুধবার থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজধানী ঢাকাকে। চলছে ব্যাপক ধরপাকড়, আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও। রায় প্রদানের দিন রাজধানীতে হিংসা ছড়াতে পারে খালেদা জিয়ার দল, এমনটাই আশঙ্কা করছে শাসক দল আওয়ামি লিগ। হাসিনা ও জিয়া সমর্থকদের মধ্যে হুমকি-পালটা হুমকিতে ক্রমশ চড়ছে পারদ। ফলে পুলিশের বিশাল বাহিনী ও নিরাপত্তারক্ষীদের মোতায়েন করা হয়েছে ঢাকা সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে। সমস্ত মিছিল বা জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া।
উল্লেখ্য, ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুই কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। ৮ ফেব্রুয়ারি ‘জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট’ দুর্নীতি নামের ওই মামলায় রায় ঘোষণা করবে ঢাকার একটি আদালত। ওই মামলায় মূল অভিযুক্ত বিএনপি চেয়ারপারসন। ওই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে তাঁর। সেক্ষেত্রে তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। ওই রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা করছে আওয়ামি লিগ। তবে এই সাজানো মামলায় জিয়াকে ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির।





