অপারেশনের নামে কিডনি বিক্রির অভিযোগ তুলেছিলেন স্ত্রী। পণের ২ লক্ষ টাকা দিতে না পারাতেই এই কাণ্ড ঘটান স্বামী। সেই অভিযোগে স্বামী ও দেওরকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
মঙ্গলবার লালগোলা থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত স্বামী বিশ্বজিৎ ও তার ভাই শ্যামল সরকারকে। বিশ্বজিৎ ও শ্যামলকে ধরতে দফায় দফায় অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করে ফারাক্কা থানার পুলিশ। তাঁর অজান্তেই কিডনি বের করে নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশে অভিযোগ করেছিলেন রীতা সরকার। তার ভিত্তিতেই বিশ্বজিৎ ও শ্যামলের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ।
দাবি মতো পণের টাকা না মেলায় স্ত্রীর কিডনি বিক্রির অভিযোগ। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার ঘটনা। অ্যাপেন্ডিসাইটিস হওয়ায় অপারেশনের নামে তিন বছর আগে স্বামী তাঁর কিডনি বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ রীতা সরকারের। ক’দিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তখনই বিষয়টি জানা যায়।
রীতাকে জানিয়েই তাঁর কিডনি ছত্তিশগড়ের এক মহিলাকে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি অভিযুক্ত বিশ্বজিত সরকারের। কিন্তু তার সপক্ষে কোনও নথি দেখাতে পারেননি তিনি। যেখানে রীতা সরকারের অপরেশন হয়েছিল, গোয়েন্দাদের নজরে কলকাতার সেই নার্সিংহোমও।





