রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারায়ণঞ্জ সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর কারণে হাসপাতালটির ক্যান্টিনে খাবার বিক্রি বেড়ে গেছে বলে জানাচ্ছে ক্যান্টিন কতৃপক্ষ। তাদের দাবি, আইভীকে দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য লোক আসছেন। আর তারা ভিড় জমাচ্ছেন এই ক্যান্টিনে। আর এ কারণে দিনরাতের বিরাম নেই ক্যান্টিনের বাবুর্চি ও বয়দের।
জানা যায়, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে রোগী ও দর্শনার্থী মিলিয়ে প্রতিবেলায় মাত্র চারশ’ থেকে পাঁচশ’ লোকের খাবার রান্না হত সেখানে এখন প্রতিবেলায় আটশ’ লোকের রান্না হচ্ছে। আর দিনে তিনবেলায় প্রায় দুই হাজার চারশ’ লোকের খাবার রান্না করতে হচ্ছে।
আইভী ভর্তি হওয়ার পর থেকে হাসপাতালে প্রায় এক ডজনেরও বেশি মন্ত্রী, সচিব এসেছেন। এছাড়া শতশত নেতাকর্মী ভিড় করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে দিনরাত থাকছেন ও ক্যান্টিনের খাবার কিনে খাচ্ছেন। পকেটের টাকা দিয়ে খাবার কিনে খেলেও তাদের খাবার খাওয়াতে গিয়ে ক্যান্টিনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দম ফেলারও ফুসরত নেই। তবে গতকাল রবিবার আইভীকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরের পর দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা কমেছে বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ শহরে হকার ইস্যু নিয়ে গত মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) চাষাঢ়ায় হকার ও এমপি শামীম ওসমানের অনুসারীদের সঙ্গে মেয়রের লোকজনের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষের সময় মেয়র আইভীসহ অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। সেইসঙ্গে আহত হন সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ আরও অনেকে।





