আবারও বাবার বিরুদ্ধে নিজের ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ। তাও একবার নয়, বহুবার ধর্ষণের শিকার হয়েছে মেয়েটি। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নারকীয় এই অপরাধের ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির কাতারিয়ানে। অভিযুক্তের স্ত্রী পুলিশের কাছে তাদের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষ সারির গণমাধ্যম ডন নিউজ।

মায়ের ভাষ্যমতে, তার স্বামী প্রায়ই তাদের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু ভয়ে বাবার যৌন নিপীড়নের বিষয়ে মুখ খোলেনি মেয়েটি। ভুক্তভোগীর মা আগেই সন্দেহ করেছিল যে, তার স্বামী তাদের মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করছে। কিন্তু চাক্ষুস প্রমাণ ছিল না তার কাছে। একদিন তার বোন (ভুক্তভোগীর খালা) দেখে তার স্বামী তাদের মেয়েকে ধর্ষণ করছে। এতেই বাবার হাতে মেয়ে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হন মা।

ভুক্তভোগীর মা আরও জানান, তার মেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়েটি বাবার হাতে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে, যা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) আফজাল আহমাদ ডন নিউজকে বলেন, অভিযুক্তকে চারদিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষার প্রতিবেদনের জন্য তারা অপেক্ষা করছেন।

এ ঘটনায় পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

পাকিস্তানে এই ধরনের নারকীয় অপরাধের ঘটনা এই প্রথম নয়। গত বছরের জুলাইয়ে মিল্লাত পার্ক পুলিশ নিজের কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বাবাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে ২০১৬ সালে দাস্কা পুলিশ এক ব্যক্তিকে আটক করে যে নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকারও করেছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে করাচির একটি আদালত মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক বাবাকে ১২ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।