২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করেনি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ১৫৩ জন প্রার্থী সংসদ সদস্য হন।
২০১৫ সাল থেকে বিএনপি ৫ জানুয়ারিকে 'গণতন্ত্রের হত্যা' দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ এ দিনটিকে 'গণতন্ত্রের বিজয়' দিবস হিসেবে পালন করে।
এবছর বিএনপি দিবসটি পালন করতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার জন্য ডিএমপির কাছে আবেদন করে। কিন্তু সমাবেশের অনুমতি পায়নি বিএনপি। তবে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি না দিলেও ঠিকই সেখানে সমাবেশ হয়েছে।
বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি আজ শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।
সম্মেলনে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ চাওয়ার বহু আগে ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টি সমাবেশের অনুমতি চায়। তারা অনুমোদন পাওয়ার ১ মাস পর বিএনপি অনুমতি চায়। প্রথা অনুযায়ী একটি দলকে অনুমোদন দেওয়ার পর আরেকটি দলকে অনুমোদন দিতে পারে না। এমনকি আওয়ামী লীগ চাইলেও না। তাই আজকে ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টি সমাবেশ করেছে।’
ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়্যারম্যান মো. ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে গণসঙ্গীত ও ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী পার্টির নামে সমাবেশ হলেও মূলত এটি আওয়ামী লীগের সম্মেলন হিসেবে দেখছেন অনেকে। কারণ, সম্মেলনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





