হত্যা, ডাকাতি ও মাদক চোরাচালানের দায়ে সৌদি আরবে প্রকাশ্যে ৭ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন ইয়েমেনি ও ১ জন সৌদি নাগরিক।
গত মঙ্গলবার এই শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ ইয়েমেনি নাগরিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয় আবহা শহরে। বাকি আরেক সৌদি নাগরিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয় তাবুকে।
ইয়েমেনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল প্রদেশ আসিরে ৩ ব্যক্তিকে হত্যা ও ডাকাতির অভিযোগ ছিল। এ ধরনের শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয় প্রকাশ্যে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের ক্ষমা পেলে অপরাধীরা এধরনের শিরশ্ছেদ এড়াতে পারে। সৌদি আরব ছাড়াও বিশ্বে চীন ও ইরানে অধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
চীনে প্রকৃত মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা কত তা জানা না গেলেও ইরানে ২০১৫ সালে ৯৭৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের কার্যকর করা হয় বলে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়। বিশ্বের ৮৪টি দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধি থাকলেও ২৯টি দেশে গত এক দশকে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। এছাড়া গত ও চলতি বছরে আরো ৩১টি দেশে কারো মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি।
এবছর মঙ্গোলিয়া জাতিসংঘের ১০৩তম দেশ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধি বাতিল করে।২০০৮ সাল থেকে দেশটিতে কোনো মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড রহিত করার ব্যাপারে একটি মামলার শুনানি শুরু করতে যাচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে সৌদি আরবে ১৩০ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়। গতবছর এ সংখ্যা ছিল ১৫৪ জন। দেশটিতে সমকামীতা, ব্যভিচার, হত্যা, নিন্দা, ধর্মীয় অবমাননা, যৌন নির্যাতন সহ বিভিন্ন অপরাধে শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয়। এছাড়া সন্ত্রাস, মাদক চোরাচালান, অপরহরণ, সশস্ত্র ডাকাতি, ধর্ষণের মত অপরাধেই সিংহভাগ শিরশ্ছেদ কার্যকর করা হয়।





