ভাম বিড়াল মেরে তার মাংস রেঁধে তা দিয়ে রাতের ভূরিভোজ। সেই ছবি আবার ফলাও করে পোস্ট করা হয় ফেসবুকে। তার জেরে গ্রেপ্তার হতে হল এক কলেজ পড়ুয়াকে। পলাতক আরেক।
ভাম বিড়াল মেরে খাওয়ার প্রতিবাদ জানান পরিবেশপ্রেমীরা। ঘটনা ভারতের।
পরিবেশপ্রেমীরা জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের সিডিউল ২ (পার্ট টু)-এর মধ্যে পড়ে ভাম বিড়াল। তা মারা বেআইনি। অভিযুক্ত যুবক বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের শাস্তির দাবি করেছে জলপাইগুলির পরিবেশপ্রেমী সংগঠনগুলি। পলতার শান্তিনগর থেকে গ্রেপ্তার প্রণব বাউল নামে এক ছাত্র। যদিও পলাতক অপর অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ বিশ্বাস পলতার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে সে পি এন দাস কলেজের ছাত্র। গতকাল ভাম বিড়াল দিয়ে ডিনার সারে সে। সেই ছবি সোশাল সাইটে পোস্ট করে। এরপরই জলপাইগুড়ির পরিবেশপ্রেমী সংগঠন SPOAR(Society for protecting ophiofauna & animal rights) এবিষয়ে বনবিভাগের কাছে অভিযোগ জানায়।
ওই সংগঠনের সদস্য শুভদীপ ঘোষ রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার প্রধান মুখ্য বনপালকে ইমেল মারফত ঘটনাটি জানান। বলেন, “এভাবে বন্যপ্রাণী মেরে খাওয়ার ঘটনা সোশাল মিডিয়ায় প্রচার হলে অনেকেই প্রভাবিত হতে পারেন।” অভিযুক্তর শাস্তি চেয়েছেন তিনি।
সংগঠনের আরেক সদস্য শ্যামাপ্রসাদ পান্ডে বলেন, “এটা জঘন্য অপরাধ। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ভাম বিড়াল সিডিউল ২ প্রজাতির প্রাণী।এই প্রাণীটি সংরক্ষণ আইনের মধ্যে পড়ে। অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে ইমেল মারফত অভিযোগ করেছি। আমরা অভিযুক্তের শাস্তি চাই। যাতে এই অপরাধ আর কেউ না করতে পারে।”





