সুলতান মাহমুদের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোরগাছ পাথরঘাটা। দু’দিন আগে তিনি দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শফিক আশরাফ সুলতান মাহমুদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কামাড়ের মোড়ের একটি ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে একাই থাকতেন সুলতান। সন্ধ্যায় সুলতানের রুমে শিট নেওয়ার জন্য যান তার এক সহপাঠী।

সুলতানের রুম ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানায় ছাত্রাবাসের অন্য শিক্ষার্থীরা।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শফিক আশরাফ পুলিশ নিয়ে তার কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সুলতানের লাশ উদ্ধার করেন।

এদিকে, নিহত সুলতান বৃহস্পতিবার সকালে তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এখন সময় এসেছে ইতিহাস পাল্টাবার, পাল্টে যাচ্ছি তাই।’

তার এই পোস্টকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুলতানের এক বন্ধু জানান, প্রেমঘটিত কারণে হয়তো সুলতান আত্মহত্যা করেছে।

তিনি আরও জানান, কুড়িগ্রামের রৌমারির এক মেয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। সম্প্রতি সেই মেয়ে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। এ নিয়ে ভেঙে পড়েছিল সুলতান।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুহিব্বুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।