দেখুন বিদেশে বাংলাদেশী নারীরা কিভাবে তাদের যৌবন হারায় | দালাল থেকে সাবধান।সংসারে সচ্ছলতা আনতে গৃহকর্মী হিসেবে আরিফা জর্দানে কাজ করতে যান। কিন্তু তিনি মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের ক্ষত বয়ে নিয়ে ফিরে আসেন দেশে। তার গৃহকর্তা প্রায়ই তাকে নির্যাতন করতেন।
তিনি অসুস্থ স্বামীর জন্য টাকা চাইলে তাকে তা দেয়া হয়নি। এমনকি দেশে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হতো না। প্রায়ই আরিফাকে মারধর করা হতো। গায়ে গরম পানি ঢালা হতো। খাবার পর্যন্ত খেতে দেয়া হতো না। এভাবে এ নারী শ্রমিককে ৬ মাস আটকে রাখা হয়। তার ওপর দেড় বছর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। আরিফা জানান, সুযোগ পেয়ে একদিন জর্দান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে তেমন সাহায্য করা হয়নি।
উল্টো দুই বছর পর যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে বিএমইটি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আরিফা তার বন্দীজীবন থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে আসেন।বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং কর্মসূচী থাকা সত্ত্বেও অভিবাসী নারী শ্রমিকদের নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সময়ের সঙ্গে নারীদের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সম্ভাবনা যেমন তৈরি হচ্ছে তেমনি দেখা দিচ্ছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ।
গৃহপরিচারিকা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত নারী কর্মীদের মধ্যে অনেকেই নিয়োগকর্তার অত্যাচারের শিকার। শ্রম শক্তি গ্রহণকারী বিভিন্ন দেশে অভিবাসী শ্রমিকদের কল্যাণ ডেস্ক থাকলেও জর্দানে নারী শ্রমিকদের প্রয়োজন, সমস্যা, ঝুঁকির বিষয়গুলো পৃথকভাবে বিবেচনায় নিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না বলে জানায় বিভিন্ন সূত্র।৩৪ টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার এই মন্ত্রণালয়ে রয়েছে যেখানে মেয়েদেরকে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে, ১ মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, ছোট ছোট এ্যাপস তৈরি করে তাদের মোবাইল ফোনে দেয়া হয়েছে। জর্দান, ওমানে মেয়েরা ভাল আছে কিন্তু সবচাইতে খারাপ আছে সৌদি আরবে। চুক্তির বাইরেও তাদের পাচার করে দেয়া হচ্ছে, তারা তাদের শ্রমের মূল্যও পাচ্ছে না এবং রিক্রুটিং এজেন্সির যথাযথ সহায়তাও এই ক্ষেত্রে পাওয়া যাচ্ছে না।
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন





