যশোর শহরের খড়কি এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করতে এগুলো জড়ো করা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের ধারণা।

আজ রাত পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ বোমাগুলো উদ্ধার করে। বোমার সংখ্যা ৫০ থেকে ৬০টির মতো হতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

খড়কির শাহ আব্দুল করিম রোডের বাইলেনে যে বাড়িটি মধ্যে থেকে বোমাগুলো উদ্ধার হয়, সেটি তিন তলা। বাড়িটির মালিক মাহবুবুর রহমান মাস্টার নামে এক ব্যক্তি।

মাহবুবুর মাস্টার সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘আমার বাড়ির নিচতলায় ছাত্রী মেস। সেখানে অবস্থানরত ছাত্রীরা আজ রাত ৮টার দিকে দেখতে পায়, কয়েক যুবক বাড়ির মধ্যে ব্যাগ হাতে ঢুকে পড়েছে। ব্যাগের মধ্যে বোমা আছে বলেই ছাত্রীদের কাছে মনে হয়। তারা আমাকে ফোনে বিষয়টি জানায়।

‘ছাত্রীরা আমাকে আরো জানায়, বোমা বহনকারী যুবকরা তাদের বলেছিল, ‘আপনাদের কোনো ভয় নেই। আপনারা ঘরে থাকেন। ‘ কিন্তু ছাত্রীরা ভয় পেয়ে আমাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়ে দেয়- আমি পুলিশকে অবহিত করি। ‘

খবর পেয়ে পুলিশের ৮-১০টি টিম ঘটনাস্থলে যায়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদারের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল। পুলিশ কর্মীরা ব্যাগ থেকে বোমাগুলো নিয়ে বালতির পানিতে রাখছিলেন।

এডিশনাল এসপি সালাহউদ্দিন শিকদার সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘বোমা গণনা করে অকেজো করার কাজ চলছে। এখনো বোমার সংখ্যা বলা যাবে না। তবে ব্যাগগুলোতে ৫০ থেকে ৬০টি বোমা থাকতে পারে। ‘

ঘটনাস্থলে উপস্থিত গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মনিরুজ্জামান সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘৫-৬ জন সন্ত্রাসী বোমাগুলো জড়ো করেছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। সে কারণে কাউকে আটক করা যায়নি। ‘ রাত পৌনে ১০ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ বোমা উদ্ধার কাজ করছিল।