ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহর লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনায় রাজধানীতে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় আট জনকে আটক করে পুলিশ। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্ধ্যায় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ মিছিলের উদ্যোগ নেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলের জন্য কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আসলে সাদা পোশাকধারী পুলিশ রিজভীকে আটকের চেষ্টা চালায়। এসময় দলের নেতাকর্মীরা টেনে-হিঁচড়ে পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন।

এর পর মিছিলের চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ শ্রমিক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মজুমদারসহ বিএনপির আট নেতাকর্মীকে আটক করে।

আটক অন্যরা হলেন- হুমায়ুন কবীর, মো. ফাহিম, ফরহাদ ভূইয়া, দেলোয়ার হোসেন, মো. ইসতেহার, আবদুল্লাহ আল নূর ও মো. আজাদ। এরা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হক বলেন, ‘বিএনপির কিছু নেতাকর্মী রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। কিন্তু পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এখন পর্যন্ত কাউকে আটকের তথ্য তাদের কাছে নেই বলেও জানান তিনি।

পরে কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘দেশে আওয়ামী দুঃশাসন চলেছে। যার অংশ হিসেবে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিচ্ছে।’

উল্লেখ্য, কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহর লক্ষ্য করে মঙ্গলবার বিকেলে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি বাস পুড়ে যায়।

এঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাড়ি দুটির চালক, এক হেলপার ও এক বিএনপিকর্মীকে আটক করেছে।