সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা একটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলে এলো লাহোরে। আর এতে দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরলো পাকিস্তানে। এবার শোনা যাচ্ছে ২০১৮ সালে পাকিস্তানে খেলতে যাবে বাংলাদেশের দলও। শুধু তাই না। পাকিস্তান, বাংলাদেশের সাথে একই টুর্নামেন্টে সেই দেশে খেলবে শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও ভারত।
আর সেটি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) এমার্জিং কাপে। যেটি এই বছর হয়ে গেলো বাংলাদেশে।
লাহোরে রোববার রাতের টি-টুয়েন্টি ম্যাচের আগে এক প্রেস কনফারেন্সে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রেসিডেন্ট নাজাম শেঠি এই কথা জানিয়েছেন। সংবাদ হয়েছে দেশটির মিডিয়ায়। সিদ্ধান্ত অবশ্য এখনো চূড়ান্ত না। এ নিয়ে রোববার গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেই একটি বৈঠকে বসেছিলেন এসিসি কর্মকর্তারা।
সিদ্ধান্ত না হলেও নাজাম শেটি নিশ্চিত প্রায়। এসিসির প্রেসিডেন্টের পদটি এখন পাকিস্তানের। বিদায়ী পিসিবি প্রেসিডেন্ট শাহরিয়ার খান। পাকিস্তানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন করতে মরিয়া পাকিস্তান। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার টিম বাসের ওপর লাহোরের রাজপথে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। তারপর থেকে অনিরাপদ দেশ বলে সেখানে কোনো আন্তর্জাতিক দল খেলতে যায় না। একবার শুধু জিম্বাবুয়ে গিয়েছিল স্বল্পদৈর্ঘ্যের সফরে। এরপর এই বছরই পাকিস্তান সুপার লিগের ফাইনালটি হয় এই লাহোরে। সেখানেই কদিন আগে বিশ্ব একাদশের সাথে ৩টি ম্যাচ খেলে পাকিস্তান। বাংলাদেশের তামিম ইকবালও গিয়েছিলেন, বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলেছিলেন।
তবে নাজাম শেঠি জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের আসরটি তারা পাকিস্তানের একাধিক ভেন্যুতে করবেন। এশিয়ার ছয় জাতির এই ইভেন্টে খেলতে ভারত যাবে কি না তা নিশ্চিত না। বাংলাদেশের অবস্থানও পরিষ্কার না। তবে মাঝে সময় আছে অনেক। এমার্জিং কাপে সব দলেই কম বেশি জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা থাকেন। মূলত এটি অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্ট। ষষ্ঠ দলটিকে আসতে হবে বাছাই পর্ব থেকে। আগামী বছরের এপ্রিলে পাকিস্তানে এটি আয়োজন করার ইচ্ছে পাকিস্তানের।





