কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এক হিন্দু নারী গ্রাম পুলিশ কর্তৃক শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার ভোরে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিষামত শিমুলবাড়ী গ্রামে।
এলাকবাসী ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ওই গ্রামের যগেন্দ্র নাথের স্ত্রী গোলাপী রানী রায় (৩৫) কার্ত্তিক মাসে ব্রত পালন করার জন্য স্থানীয় এক মন্দিরে হরিনাম ভোর কীর্তনে যোগ দিতে গেলে গ্রাম পুলিশ হারুন অর-রশিদ ওরফে হাড্ডু ওই নারীকে একলা পেয়ে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে তার চিৎকারে একই এলাকার করুনা কান্ত বর্মন ,মো: বাবলা মিয়া, হরিকা কান্ত ও খগেন্দ্র নাথ বর্মনসহ কয়েকজন এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
পরে ওই নারীর মুখে ঘটনা শুনে খগেন্দ্র নাথ বর্মন অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশকে থাপ্পর মারলে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ হারুন অর-রশিদ পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে গোলাপী রাণীর স্বামী যগেন্দ্র নাথ বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
গোলাপীর স্বামী যগেন্দ্র নাথ জানান,অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশের উপযুক্ত শাস্তি চাই।
এ ব্যাপারে কিষামত শিমুলবাড়ীর ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল হক আমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাটি ন্যাক্কার জনক। এ ঘটনায় তার শাস্তি হওয়া দারকার। তিনি আরও জানান, বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে।
শ্লীলতাহানী চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ হারুন অর-রশিদ ওরফে হাড্ডু জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমাকে ফাঁসানোর জন্য এমন অভিযোগ করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ইউনিয়ন পরিষদে মিটিং করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে ফুলবাড়ী থানার সেকেন্ড অফিসার সেলিমুর রহমান জানান,অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।





