ব্রিটিশ নৌবাহিনীর পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডুবোজাহাজ এইচএমএস ভিজিল্যান্টের নয় নৌ-সেনাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময়ে তাদের শরীরে কোকেনের উপস্থিতি ধরা পড়ায় তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনা এমন এক সময় ঘটল যখন যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ‘পরমাণু বোমা নেয়ার জন্য যখন মার্কিন বন্দরে এইচএমএস ভিজিল্যান্ট নোঙর করেছিল সেসময় মাদক সেবনের আয়োজনসহ পার্টির ব্যবস্থা করে অভিযুক্ত ওই নাবিকরা। তাদের মধ্যে একজন সুইমিং পুলে পতিতা নিয়ে নেমেছিল এবং সেখানে অনৈতিক ক্রিয়ায় লিপ্ত হয়।’
চারদিকে হৈচৈ ফেলে দেয়া এ ঘটনাকে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর অন্যতম জঘন্য কেলেঙ্কারি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই ডুবোজাহাজের দ্বিতীয় প্রধান লে. কমান্ডার মাইকেল সিলকে (৩৬) চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ডুবোজাহাজে থাকাকালীন লে. হানা লিচফিল্ড নামের এক নৌ কর্মকর্তার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপন করার দায়ে উভয়কে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, ক্যাপ্টেন কমান্ডার স্টুয়ার্ড আর্মস্ট্রংকে (৪১) এবং সাব লে. রেবেকা এডওয়ার্ডের (২৫) সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের দায়ে তাদের উভয়কে ডুবোজাহাজ থেকে অপসারণ করা হয়।
এদিকে একই ডুবোজাহাজের অপর একজন নাবিককে অনঅনুমোদিত ছুটি কাটানোর দায়ে কোর্ট মার্শাল করা হয়েছে। তিনি ডুবোজাহাজ ত্যাগ করে বিমানযোগে বান্ধবীর সঙ্গে মোলাকাত করার জন্য ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন। এ ছাড়া, কেলেঙ্কারি সূত্র ধরে আরো দুই নাবিককেও একই ডুবোজাহাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
জাহাজটিতে কর্মরত মোট ১৬৮ জন নাবিকের মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশ বের করে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ মাদক এবং যৌন বিষয়ক কেলেঙ্কারি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।





