আমাদের সমাজ অনেক এগিয়ে গিয়েছে ঠিকই কিন্তু নারীদের তারা এখনো পিছনে রাখতে চায়। সেই পুরানকালের মতো তাদের ঘরে বন্ধ করে রাখতে চায়। বাইরে গেলে এটা হবে ওটা হবে। বেশি লেখাপড়া করে কি হবে,সেই তো স্বামীর রান্না করা লাগবে। চাকরি করে কি হবে,স্বামী তো রোজগার করবেই।
আর সব শেষে কি হয়? সেই নারী যখন তার সামান্য শখ পূরণ তো দূর প্রয়োজনের জন্য টাকা চাইবে, শুনতে হবে কটুকথা। শুধু স্বামীর রোজগারের উপর নির্ভরশীল একটি মেয়েকে তার পরিবারের কাছে কতো যে ছোট হয়ে থাকতে হয় সেটা ওই মেয়েটা জানে। নিজে রোজগার করবো,নিজের মতো খরচ করবো এমন আশা প্রায় সবাই করে।
কিন্তু পরিস্থিতি হয়তো তার আশা শেষ করে দেয়। সংসারের চাপে বাইরে গিয়ে চাকরি করা সম্ভব না। তাই বলে কি রোজগার করা যাবে না। এখন ইন্টারনেটের যুগে কি না সম্ভব বলুন। দেখে নিন উপায়:
১।রান্না:আপনি যদি ভাল রাধুনি হন তবে ‘ফুড হোম ডেলিভারি’ এর ব্যাবসা করতে পারেন। বিভিন্ন অফিসের দুপুরের খাবার রান্নার কাজ নিতে পারেন, বিভিন্ন ছোট ছোট অনুষ্ঠানের রান্নার দায়িত্ব নিতে পারেন। তাছাড়া পিঠা,চানাচুর,লাড্ডু জাতীয় খাবার বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।
২।সেলাই:আপনি নিজে ভাল সেলাই পারলে কোন পুঁজি ছাড়াই বাসাতে একটা অনলাইন বুটিক খুলতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনলাইনে যে অর্ডার পাবেন সেটা বাসায় বসে করবে। তারপর কাস্টমারকে ডেলিভারি করবেন। নিজে কাজ না পারলে সামান্য কিছু পুঁজি দিয়েও কাজ শুরু করতে পারেন। সেক্ষেত্রে বাসাতে আলাদা একটা রুম নিয়ে সেখানে কাজ করবেন।
দুজন গরিব মেয়ে রাখবেন যারা সেলাই কাজে দক্ষ,কিন্তু কাজ পায় না। যা অর্ডার পাবেন তাদের দিয়ে সে কাজ করাবেন,তারপর টাকা ভাগ করে নেবেন। নিজে কাজ করতে পারলে যা রোজগার হবে তার সবটা লাভ। তাছাড়া সেলাই মেশিনের ভাল কাজ জানলে বাচ্চাদের ও মেয়েদের জামার অর্ডার নিতে পারেন।
৩।হাতের কাজ:অনেকে আছে খুব সুন্দর ফুল,শো-পিস,পাপস,কুশন,ফুলদানি,কার্ড,ওয়ালমেট এসব তৈরি করতে পারে। এমন কোন গুন থাকলে সেগুলো তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি প্রায় অর্ধেক লাভ করতে পারবেন।
এছাড়াও এখন নারীদের জন্য অনেক অনলাইন ব্যাবসার ব্যবস্থা রয়েছে। কম পুঁজিতে, কম কষ্টে যে কেউ চাইলেই ব্যাবসা করতে পারেন। স্বাবলম্বী হতে পারেন ঘরে বসেই।





