নির্বাচন কমিশনের সীমাবদ্ধতা আছে তবে এই সংলাপের মাধ্যমে কিছুটা হলেও আশার পথে যাত্রা শুরু হল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (১৫ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ফখরুল ইসলাম বলেনে, ‘আমরা কিছুটা আশাবাদী। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্বাচন বিষয়ে আলোচনা করেছি। অত্যন্ত সোহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সংলাপ হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, আমাদের প্রস্তাব নিয়ে চিন্তা করবেন, নিজেরা আলাপ করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা মনে করেন দেশে গণতন্ত্রের আসল রূপ এখন নেই। তবুও তারা বিএনপির প্রস্তাবগুলো নিয়ে চিন্তা করবেন, আলোচনা করবেন।’

এরআগে, পূর্ব নির্ধারিত সময় রোববার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আসেন দলটির প্রতিনিধি দল। পরে সোয়া ১১টা ১০ মিনিটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের হল রুমে সংলাপ শুরু হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশননারসহ ৫ কমিশনার ও সচিব উপস্থিত রয়েছেন বলে জানা যায়।

সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দলের নেতা হিসেবে জিয়াউর রহমান ৬ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপি প্রায় ৯ বছর আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছে। পরে ১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে ২১০ আসনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি দ্বিতীয়বারের মত সরকার গঠন করে।

তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আজকের সংলাপের দিকে জাতি তাকিয়ে রয়েছে। নির্বাচন কমিশন অধীর আগ্রহ অত্যন্ত আন্তরিকতা নিয়ে, অতি ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করছে। কমিশন বিএনপির সঙ্গে সফল সংলাপ প্রত্যাশা করে। মন্ত্রী থাকা কালে বিএনপির মন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি অনেক কাজ করেছি । তারা অনেক ভাল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিনিধি দলের মধ্য অন্য সদস্যরা হলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস‍্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব‍্যারিস্টার ম‌ওদুদ আহমেদ, জমিরউদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, নজরুল ইসলাম খান, লে জেনারেল মাহবুবুর রহমান, ম‌ঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আব্দুর রশিদ সরকার, আব্দুল হালিম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী প্রমুখ।