বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরলেই চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) কার্যালয়ে বিশ্ব প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৯ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নোয়াবাজার এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা হামলার মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
১২ অক্টোবর মানহানির একটি মামলা ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি কিংবা বিচার-সবই কিন্তু আইন অনুযায়ী চলছে। আইন অনুযায়ী যেটা হবে, সেটাই হবে। এখানে আমাদের কিছু করার নাই। আইন, আইন অনুযায়ী চলবে’, বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। তারা কোনো অপরাধে জড়ালে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, সরকারের বেশ কিছু প্রবীণবান্ধব কর্মসূচি আছে যা সামাজিকভাবে তাদের জীবন উন্নয়নে সহায়ক হবে।
এদিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে ২৩ অক্টোবর মায়ানমার যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার সঙ্গে ৯ সদস্যের দল মায়ানমার যাবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মায়ানমার সফরের বিষয়টি আগেই আলোচনায় ছিল। ২৫ আগস্টের পর পরিস্থিতি পাল্টেছে। এখন আলোচনার প্রধান বিষয় হবে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রসঙ্গটি। এজেন্ডা ঠিক করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মায়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজ করছেন।
মায়ানমার সফরের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কিনা- এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ আগস্টের পর নতুন করে যে ঘটনাগুলো সংযুক্ত হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলাপ করা হবে। মায়ানমারে বাংলাদেশের যে রাষ্ট্রদূত আছেন, তিনি সে দেশের অথরিটির সঙ্গে আলোচনা করে এজেন্ডা ঠিক করবেন। ২৫ আগস্টের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটা বাংলাদেশের মেইন এজেন্ডা হবে, যাতে মায়ানমার সরকার শিগগিরই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তারপর যে পূর্বনির্ধারিত এজেন্ডগুলো ছিল, সেগুলো নিয়েও আলাপ হবে। রাষ্ট্রদূত সেগুলো নিয়েই কাজ করছেন।





