বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘জাতীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে পর্যটন ক্ষেত্র ৪.২ ভাগ অবদান রেখে চলেছে। এই অবদানের ক্ষেত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন রিসোর্ট, গলফ, হোটেল, মোটেল এগুলো বিরাট ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে এখন বিভিন্ন প্রান্তে হোটেল, মোটেল রিসোর্ট গড়ে উঠছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা এসব রিসোর্টে সময় কাটাচ্ছেন। এতে করে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি জাতীয় আয়ে পর্যটন ক্ষেত্র বিশেষ অবদান রাখছে।’
শুক্রবার বেলা ৩টায় নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পানিপাড়ায় অরুনিমা রিসোর্ট গলফক্লাবে মধুমতি নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬,১৭ ও ১৮ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। একজন পর্যটকের সাথে ১১টি মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ একজন পর্যটক রিসোর্ট থাকে, হোটেল থাকে, কর্মচারীরা কাজ করে, বাজার থেকে জিনিস কেনা হয়, বিমানে অথবা বাসে চলে। এভাবেই কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে পর্যটন সম্পর্কে আমাদের সেই সচেতনতা নেই, যে কারণে অনেক সময় আমাদের বাধার সম্মুখীন হতে হয়।’
নড়াইলের অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অরুনিমা রিসোর্ট প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সুন্দর একটি পর্যটন কেন্দ্র করেছে। এই অঞ্চলের মানুষের জন্য সুন্দর একটি বিনোদন কেন্দ্র এটি। একটি আধুনিক মানের গলফ ক্ষেত্র তৈরি করেছে। পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেয়ার জন্য এই এলাকার জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কমিউনিটি ট্যুরিজমের প্রতি আরো বেশি নজর দেওয়া উচিত।’
কালিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খান শামীম রহমান ওছির সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিশেষ অতিথি নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান, ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক নিখিল রঞ্জন রায়, নড়াইলের জেলা প্রশাসক মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, নড়াইলের পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিয়া উপজেলা কমান্ডার মো. তরিকুল ইসলাম মন্নুসহ আরো অনেকে।
মন্ত্রী পরে মধুমতি নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপভোড় করেন। প্রতিযোগিতা নড়াইল, গোপালগঞ্জ, খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ৮টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। এ সময় নদীর দু’পাড়ে হাজার হাজার দর্শক আবহমান গ্রাম বাংলার এই নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন।





