মালয়েশিয়া সেলাঙ্গর, আমপাংয়ের তামাং পান্দান মেয়াহ এলাকায় দিন দিন অবৈধ বিদেশী শ্রমিকের বাসস্থান বেড়েই চলছে।
অবৈধ শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে স্থানীয় জনসাধারণ তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত আছে।
তামান পান্দান মেয়াহ এলাকার বাসিন্দা শাহারুদ্দিন ইসমাইল বলেন, কিছু অবৈধ শ্রমিক গভীর রাতে মদ্য পান করে বাড়ি ফিরে তাদের ডিসটার্ব করে। আমরা আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত আছি।
আমরা গত ১৭ বছর ধরে দেখছি এই এলাকায় বাসা ভাড়া কম হওয়ায়, অবৈধ বিদেশী শ্রমিকেরা কম টাকাতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে।
শাহারুদ্দিন বলেন, পাশেই কিছু কারখানা আছে ওই কারখানা গুলোতে তারা কাজ করে, আর এখানে কম টাকায় বাসা ভাড়া পাওয়া যায় জন্যে তারা এখানে বাসা ভাড়া করে থাকছে।
তিনি দাবি করেন, মিয়ানমারের কিছু রিফুজি তাদের কাছে জাতিসংঘ হাইকমিশনের রিফুজি কার্ড আছে, তারাও এখানে ছোটোখাটো ব্যবসা শুরু করছে কিন্তু তাদের কোনো ব্যবসার লাইসেন্স নেই। অপারেসির সময় ইমিগ্রেশন পুলিশকে রিফুজি কার্ড দেখালে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
তিনি বলেন, স্থানীয় অধিবাসীরা কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের লোকেদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু কোন উপকারে আসেনি।
পদক্ষেপ লাইন-
সেলাঙ্গর উপসহকারী ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক রামলি ওথমান বলেন, তামাং পান্দান মেয়ার স্থানীয় জনসাধারণের কাছে থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছে এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ওই এলাকায় পর্যবেক্ষণ করেছি।
রামলি বলেন, জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে, আমরা প্রস্তুত আছি তদন্ত শেষ হলে সাঁড়াশি অভিযানে নামবো। এর আগেও আমরা ওখানে অপারেসি চালিয়েছি কয়েকবার।
তামান পান্দান মেয়াতে বিশাল বড় বড় ১৬ টি ব্লক রয়েছে সব ব্লকে আমরা অভিযান চালাতে পারিনা। তাই ওখানকার স্থানীয় জনগণকে আমাদের সাহায্য করতে হবে, কোন কোন ব্লকে অবৈধ শ্রমিকেরা অবস্থান করছে আমাদের সেটা জানালে আমরা সেই রিপোর্ট অনুযায়ী অপারেসি চালাবো।
রামলি বলেন, স্থানীয় কাউন্সিলের সাথে সহযোগিতা করে আমরা অভিযান চালাবো।
গতবছর আমপাং জায়া মিউনিসিপাল কাউন্সিল এর সাথে সহযোগিতা করে ২০০ জন অবৈধ বিদেশী শ্রমিককে আটক করি, তাদের মধ্যে রিফুজি কার্ড হোল্ডারও ছিল।
রামলি আরো বলেন, রিফুজি কার্ড যাদের আছে তারা কোনো ধরণের ব্যবসা করতে পারবেনা। রিফুজি কার্ড নিয়ে মালয়েশিয়ায় ব্যবসা করার অনুমতি নেই।





