ফুটবল দুনিয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা যে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সেটা কে না জানে? কিন্তু সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের ওপরই নির্ভর করছে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলা না খেলার বিষয়টি।
বাদ পড়ার শঙ্কায় ধুকতে ধুকতে পেরুর সাথে গোলশূন্য ড্র কারায় বিশ্বকাপে খেলার বিষয়টি এখন আর শুধু আর্জেন্টিনার হাতে নেই। সেক্ষেত্রে বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে পাঁচটায় অনুষ্ঠিব্য ম্যাচটিতে ইকুয়েডরের সাথে অবশ্যই জিততে হবে আর্জিন্টিনাকে। শুধু জিতলেই চলবে না চিলি যদি ব্রাজিলের কাছে হেরে যায়, তাহলে আর্জিন্টিনা বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়ে যাবে। তাই আর্জেন্টিনার ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের ওপর।
এদিকে সবার আগে বিশ্বকাপে কেলা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় কানাঘুষা চলছে, বুধবারের ম্যাচটিতে ব্রাজিল জেতার জন্য নামবে কিনা। ব্রাজিলের টিভি মিডিয়ার অনেকেই বলছেন, ‘আমরা ব্রাজিলকে সমর্থন করবো, নাকি আর্জেন্টিনা বিদায় করে দেবো।‘
ব্রাজিল ছাড়াও বিশ্বকাপে খেলার জন্য আরেকটি পথ খোলা আছে দুই বারের বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার। সেক্ষেত্রে ইকুয়েডরের সাথে অবশ্যই জিততে হবে এবং পিরু ও কলম্বিয়ার ম্যাচটি ড্র হতে হবে। আর আর্জেন্টিনার জয়ে পেরু ও কলম্বিয়ার মধ্যে যারা হারবে, তারা চলে যাবে পয়েন্ট টেবিলে আর্জেন্টিনার নিচে। ফলে অন্য যে ফলই হোক না কেন, আর্জেন্টিনা জিততে পারলে অন্তত পঞ্চম স্থোনে থেকে প্লে-অফ খেলার সুযোগ পাবে।
সমীকরণ যাই হোক কেন, বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে জিততেই হবে। পাশাপাশি ব্রাজিল যদি চিলি সাথে জিতে যায়, তাহলে রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার জন্য সরাসরি টিকিট পাবে আর্জেন্টিনা। আর নয়তো পেরু-কলম্বিয়ার ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে মেসির দলকে। এই ম্যাচটি ড্র হলে আর্জেন্টিনা সরাসরি খেলতে পারবে বিশ্বকাপ। আর নয়তো পেরু-কলম্বিয়ার ম্যাচের পর বিশ্বকাপের টিকিট পেতে প্লে-অফ খেলতে হবে।





