কুমিল্লার লাকসামে স্কুলছাত্রী ফারজানা আক্তার সাফার দুটি কিডনিই অকেজো। চলছে ডায়ালাইসিস। বর্তমানে সাফা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ব্লকের ১৬ নম্বর বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। তার বাবা সোলায়মান আলী একজন কাতার প্রবাসী।

তার বাড়ি লাকসাম উপজেলার রেলস্টেশন চিতোসী। সাফা লাকসাম পৌরসভার আল-আমিন ইনস্টিটিউটে নবম শ্রেণিতে পড়ে।

এক প্রবাসীর আকুতি, সাফাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন ’শিরোনামে গত মঙ্গলবার কুমিল্লার একটি সংবাদমাধ্যমে এক আবেদন প্রকাশিত হয়। আর প্রকাশের পর খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রবাসীদের কাছে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে সংবাদটি শেয়ার করে দুটি কিডনি অকেজো সাফাকে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ওই মানবিক আবেদনটি প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমন আহ্বানে সাড়াও মেলে। শেয়ার করা একটি লিংকে কমেন্ট করে মেয়েটির চিকিৎসার জন্য ২০ লাখ টাকার আর্থিক সহযোগিতার ঘোষণা দেন সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশি মিজানুর রহমান সুমন।

কিডনি দুটি প্রতিস্থাপন করতে প্রায় ২০ লাখ টাকা লাগবে বলে ভারতের চেন্নাই এর সিএমসি হাসপাতাল জানিয়েছে বলে জানান সাফার বাবা।

এদিকে স্কুলপড়ুয়া সাফাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখানোর জন্য মক্কার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মিজানুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান সৌদি আরব প্রবাসী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি।

নজরুল ইসলাম রনি  জানান, সুমন ভাইয়ের মতো সমাজের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা যদি অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসে তাহলে সমাজ থেকে মানুষের দুঃখ দুর্দশা অনেকটা কমে যাবে।