যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসানের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা শহীদ মশিয়ুর রহমান হলে হামলা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে গুলিবর্ষণ ও লুটপাট করা হয়।এতে হলের অন্তত ৩০জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৮জনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন- যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, শিক্ষার্থী সৌরভ হোসেন, মামুন হোসেন, ইদ্রিস আলী, তুহিন হাওলাদার, শরিফ হোসেন, রাসেল পারভেজ, তানভীর হোসেন, খায়রুল খন্দকার, মেহেদি হাসান মোহন, হিমেল, তৈয়বুর রহমান, জাকারিয়া, নাসিম হাবিব, শাহিনুর রহমান, রায়হান উদ্দিন, অমিত কুমার হাজরা ও জসিম উদ্দিন।

শিক্ষার্থীরা জানান, যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসানের নেতৃত্বে ৫০-৬০জন বহিরাগত সন্ত্রাসী বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে শহীদ মশিয়ুর রহমান হলে হামলা চালায়।

তারা শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে শতাধিক ল্যাপটপ, আইফোন ও তিন শতাধিক মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের বেদম মারপিট করা হয়েছে। এতে অন্তত ৩০জন আহত হন।

সন্ত্রাসীদের ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুললে পুলিশ এসে হামলাকারীদের নিরাপদে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়।

যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসানের নেতৃত্বে হলে ডাকাতি করা হয়েছে। লুটপাট ও শিক্ষার্থীদের বেদম মারপিট করে সন্ত্রাসীরা। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পুলিশ সহায়তা করেছে।

শামীম হাসানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

কোতোয়ালি থানার ওসি (অপারেশন) মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা জানান, ক্যাম্পাসের পরিবেশ বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। বৃহস্পতিবার রাতে হলে হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

তবে হামলাকারীদের পুলিশের সহায়তার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।