৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দেশের এই বৃহত্তম পদ্মা সেতুর নকশায় কাজ শুরুর প্রায় তিন বছর পর আবারো বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। ৪২টি পিলারের মধ্যে ১৪টি পিলারের নকশায় নতুন করে পরিবর্তন আসছে। জানা গেছে, মাওয়া প্রান্তে নদীর তলদেশের মাটির গঠনের কারণে এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানে সেতু বিশেষজ্ঞরা কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে ১৪ পিলারের নকশায় পরিবর্তন আসলেও কাজ শেষ হতে কোন দেরি হবে না।


এ বিষয়ে সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘১৪টি জায়গায় আমরা যেরকম মাটি আমরা আশা করেছিলাম সেরকম মাটি পাওয়া যায়নি। তাই পূর্বের ডিজাইনটি এখানে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তাই এই অংশের কাজে কিছুটা ধীর গতি এসেছে। অন্য অংশে কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘ওই ১৪ পিলারের ৮৪টি পাইলের জন্য এখন নতুন নকশা প্রয়োজন। ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রেনডেল সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। পাইলের লেন্থ ও নাম্বার দুটিই বাড়তে পারে। সবাই মিলেই আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমেই তা করা হবে।’

শনিবার শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান স্থাপনের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতুর কাঠামো। তবে সেতুর অপর প্রান্তে অর্থাৎ মাওয়া প্রান্তের কাজে দেখা গেছে ধীরগতি। শুরুতে এই প্রান্তের ছয় ও সাত নম্বর পিলারে পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসানোর পরিকল্পনা থাকলেও সেটি থেকে সরে আসতে হয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।

জানা গেছে, নদীর তলদেশের মাটির কারণে সেখানে এখনো পিলার বসানো যায়নি।