তামিম ইকবাল ইনজুরিতে। প্রথম ইনিংসে ৫ রান করেই রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তাই ওপেন করতে এলেন না। আসলে এ ম্যাচে ব্যাট হাতেই আর নামা হচ্ছে না তার।

ওদিকে সৌম্য সরকারের ইনজুরির খবরও ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় ইনংসে ওপেন এমনি কি এখনো ব্যাট করতে নামেননি তিনি। নিশ্চিত খবর জানা যাবে ম্যাচের শেষে। এমন যখন অবস্থা তখন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বড় বিপদেই পড়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচের তৃতীয় দিনে লাঞ্চের আগে ১১০ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা।

ছন্দে ফেরার আভাস দিয়ে ইমরুল কায়েস ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন। তামিম ও সৌম্যর ইনজুরিতে লিটন দাসকে নিয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন তিনি। লিটন দিনের শুরুতে ২ রান করে ফিরলেও ইমরুল ৫১ রান করে আউট হয়েছেন। তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল হককে নিয়ে ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু ইমরুল ফিরতেই বিপত্তি। কিছু সময় পরই মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ফিরে গেলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম ও মুমিনুল হক। মুশফিক ফিরে গেছেন ব্যক্তিগত ২ রান করে। মুমিনুল ফিরেছেন ৩৩ রান করে। প্রথম ইনিংসে দুজনেই করেছিলেন ফিফটি। মাহমুদউল্লাহ ২ ও সাব্বির রহমান ১০ রান নিয়ে লাঞ্চে গেছেন।
আগের দিন কোন উইকেট না খুইয়ে ৬ রান করে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। সেই রান নিয়েই শনিবার তৃতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৭ উইকেটে ৩০৬ (ইনিংস ঘোষণা) রানের জবাবে ৮ উইকেটে ৩১৩ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশ। ৭ রানের লিড পেয়েছিল তারা। লাঞ্চের আগে বাংলাদেশ ১০৩ রানের লিড জমা করতে পেরেছে।