নকলা-শেরপুর সীমান্তবর্তী এলাকার বাসীন্দা পুলিশের এএসআই’র কাছে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে স্বামীর বাড়িতে শুক্রবার থেকে আমরন অনশন করছে মাষ্টার্স পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী।
এর আগে স্ত্রীর দাবী আদায়ের লক্ষ্যে সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনায় ইন্সপেক্টর জেনারেল, ডিআইজি (ডিসিপ্লিন) ও এ্যাডিশনাল আইজি (এসবি); বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়াটার্স-ঢাকায় অভিযোগ দেওয়াসহ যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন।
অভিযোগ ও আবেদন পত্রের তথ্যমতে, শেরপুর সদর উপজেলার পূর্ব আলীনাপাড়া (খালপাড়) এলাকার মৃত আনিছুর রহমান দুলালের ছেলে পুলিশ প্রশাসনের এএসআই মোঃ আরিফুজ্জামান (সোহাগ)/১২৫, এসবি-ঢাকা, বিপি-৮৮০৭১২৮৭৪৭। ওই শিক্ষার্থীকে টাঙ্গাইলে আত্মীয়র পরিচিত বাড়িতে নিয়ে আরিফুজ্জামানের ছোট বোনের বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখার শর্তে তারা বিয়ে করে এবং স্ত্রী হিসেবে মেলামেশা করে। তারপর থেকে নবীবগর বাসায় বাবা-মা না থাকলে সে সুযোগে আরিফুজ্জামান শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে মেলামেশা করত এবং বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে নিয়ে স্ত্রী হিসেবে অবাধে মেলামেশা করে আসছিল।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন স্থান থেকে ওই শিক্ষার্থীর বিয়ের প্রস্তাব আসলে সে আরিফুজ্জামানকে তাদের বিয়ের বিষয়টি সবাইকে জানাতে বলে এবং শর্তানুযায়ী আনুষ্ঠানিক ভাবে স্ত্রীর মর্যাদা চাইলে সে মোবাইলে অস্বীকৃতি জানিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করাসহ বেশ কয়েকটি এসএমএস পাঠায়। পাশাপাশি নকলা শহরে নতুন করে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখে এবং বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করেন ওই এএসআই। এই সংবাদ পেয়ে শিক্ষার্থী মোবাইলের মাধ্যমে আরিফুজ্জামানকে বুঝালেও তা না মেনে বরং বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখের আগেই গোপনে শুক্রবারে বিয়ের তারিখ করেন। সে অনুযায়ী আরিফুজ্জামান বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ীতে আসেন। বিধিবাম সেই সংবাদটিও শিক্ষার্থী (আগের স্ত্রী) পেয়ে যায় এবং স্বশরীরে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে আগের বিয়ের বিষয়টি কন্যা পক্ষকে জানায়। এই সুযোগে আরিফুজ্জামান সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বিয়ে বাড়ি থেকে চম্পট দেয়।
এদিকে আরিফুজ্জামানকে না পেয়ে শুক্রবার শেষ বিকাল হতে ওই এএসআইয়ের বাড়িতে স্ত্রীর মর্যাদা আদায়ে আমরন অনশন করছে ওই শিক্ষার্থী। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এএসআই ও তার মাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার চাচা মঞ্জু মিয়া জানান, সঠিক তথ্য উপাত্ত দিতে পারলে আমরা মেনে নিব। তাদের দাবী সামাজিক ভাবে হেয় করতে তাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে।





