আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এরই অংশ হিসেবে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ করেছে ইসি। এছাড়া ২৪ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে এরই মধ্যে ২০টি দলের সময়সূচি ঠিক করা হয়েছে।
ইসির নিবন্ধনে থাকা ৪০টি দলের মধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বাকি ২০টি দলের সময়সূচি ঠিক করে কমিশনের অনুমোদনের জন্য নথি উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে ইসি সূত্রে জানা যায়।
ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, ৩১ জুলাই সংলাপ শুরু হয়ে অক্টোবরের মধ্যে সবার সঙ্গে সংলাপ শেষ করার চেষ্টা করবো। কমিশন বাকিদের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময়সূচি অনুমোদন করলেই দ্রুত তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
প্রস্তাবিত সময়সূচি
২ অক্টোবর: সকালে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বিকালে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
৪ অক্টোবর: সকালে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বিকালে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি।
৫ অক্টোবর: সকালে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বিকালে জাকের পার্টি।
৮ অক্টোবর: সকালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, বিকালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ।
৯ অক্টোবর: সকালে জাতীয় পার্টি, বিকালে বিকল্পধারা বাংলাদেশ।
১১ অক্টোবর: সকালে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।
১২ অক্টোবর: সকালে গণতন্ত্রী পার্টি, বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
১৫ অক্টোবর: সকালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বিকালে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।
১৬ অক্টোবর: সকালে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল(এমএল), বিকালে আওয়ামী লীগ।
১৭ অক্টোবর: সকালে জাতীয় পার্টি-জেপি, বিকালে বিকালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি।
২৩ অক্টোবর: পর্যবেক্ষক;
২৫ অক্টোবর: নারী নেত্রী ও
৩০ অক্টোবর: নির্বাচন বিশেষজ্ঞ।
৩১ জুলাই সুশীল সমাজ, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পর ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে ইসি। ওইদিন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) এর সঙ্গে সংলাপ করার সময়সূচি থাকলেও দলীয় অন্য কর্মসূচি থাকার কারণ দেখিয়ে সংলাপে অংশ নেয়নি বিএনএফ।
অবশ্য তাদের নির্ধারিত তারিখের ১ মাস পর কমিশনের সুবিধাজনক সময়ে ফের সময় চেয়েছে দলটি।
এরপর ২৮ আগস্ট (সোমবার) সকালে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল ও বিকেলে খেলাফত মজলিশের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি।
এছাড়া ৩০ আগস্ট সকালে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি এবং বিকেলে গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এবং বিকাল ৩টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপ করে কমিশন।
এছাড়া ১২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় কল্যাণ পার্টি, বিকেল ৩টায় ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ; ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি; ১৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), বিকেল ৩টায় প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি); ২০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় গণফ্রন্ট, বিকেল ৩টায় গণফোরাম এবং ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বিকেল ৩টায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এর সঙ্গে সংলাপের বসার কথা রয়েছে।
২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগে ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।





