মায়ানমারের লীগ অফ ডেমোক্রেসি দলের প্রধান অং সাং সুচি। যিনি কিনা শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী। সুচি সারাজীবন মায়ানমারের শান্তি প্রতিষ্কার জন্য কাজ করে গেছেন। মায়ানমারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে তার অবস্থান আর মায়ানমারের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তাকে দেয়া হয়েছিলো এই নোবেল পুরষ্কার।
কিন্তু সেই শান্তির দূত সুচির দেশে কি হচ্ছে এসব। নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে রহিঙ্গা মুসলমানদের। কিন্তু এসব ব্যাপারে কোন পদক্ষেপই নেই সুচির যা প্রশ্নবিদ্ধ করছে তার নোবেল পুরষ্কারকে। যিনি কিনা সাধারন মানুষের জন্য দীর্ঘ দুই দশক কারাবরন করেছেন সেই সুচির সামনে হাজার হাজার নিরপরাধ রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হচ্ছে।
যে ব্যাপারে তার কোন মাথা ব্যাথাই নেই। কি কারনে তিনি চুপ থাকছেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। সম্প্রতি তার বায়োগ্রাফি থেকে পাওয়া যায় চমকপ্রদ তথ্য। জানা যায় সুচি লন্ডনে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনাকালীন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এক পাকিস্থানি মুসলিম যুবকের সাথে।
তাকে তিনি গভীর ভালবাসতেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তার সাথে সম্পর্কচ্ছেদের পর তিনি গভীরভাবে শোকাহত হন। তিনি এতটাই শোকাহত হন যে দীর্ঘ একবছর শোকাতুর ছিলেন। তাহলে প্রেমে ব্যার্থ হওয়ার করনে তিনি মুসলিমদের উপর ক্ষিপ্ত? এরজন্যই কি তিনি মুসলিম হত্যার ব্যাপারে কোন কথা বলছেন না?
তাহলে কি তিনি হিটলারের মত প্রতিশোধ নিচ্ছেন মুসলমানদের উপরে? হিটলার তার যৌবনে ভালবাসতেন এক ইহুদি ধনীর মেয়েকে। কিন্তু হিটলার গরিব হওয়ায় তার কাছে মেয়ের বাবা বিয়ে দেননি। যার কারনে হিটলার হত্যা করেছিলেন লাখ লাখ ইহুদিকে।
তাহলে সুচিও কি মুসলমান প্রেমিক দ্বারা প্রেমে ব্যার্থ হওয়ার কারনে মুসলিম হত্যার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মাথায়। আল্লাহ মিয়ানমারের মুসলমানদের জালিমদের হাত থেকে রক্ষা করুন





