রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে বরিশাল পন্টুন ছেড়ে যাওয়ার পরপরই কীর্তনখোলা নদীতে পাঁচটি লঞ্চ ও একটি স্টিমারের মধ্যে পৃথক তিনটি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ১০ যাত্রী।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেন বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপপরিচালক আজমল হুদা সরকার মিঠু।
তিনি জানান, রাত আটটার দিকে ঘাট ছাড়ার সময় অ্যাডভেঞ্জার-১ লঞ্চের সাথে কীর্তনখোল-২ লঞ্চের ধাক্কা লাগে। এতে অ্যাডভেঞ্জার-১ লঞ্চের দ্বিতীয় তলার রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় দ্বিতীয় তলায় অবস্থান নেয়া যাত্রীদের মধ্যে ১০ জন আহত হয়। তবে কারো অবস্থা গুরুতর নয়।
অন্যদিকে বরিশাল নৌ বন্দর থানা পুলিশের এসআই শফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকার উদেশে বরিশালের ঘাট ত্যাগ করতে ঘুরানোর সময় এমভি তাসরিফ-৩ লঞ্চের পেছনে এমভি সুন্দরবন-৮ লঞ্চের ধাক্কা লাগে। এতে তাসরিফ লঞ্চের পিছনের অংশে (ফ্যান্টার) সামান্য ফাটল ধরে।
লঞ্চটি চরমনোই এলাকা অতিক্রম কালে বিষয়টি ধরা পড়লে চরমোনাই ঘাটেই জরুরি ভিত্তিতে নোঙর করে রাখা হয়। সেখানে প্রায় তিনঘণ্টা মেরামতের পর লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এর আগে বিআইডব্লিউটিসির পিএস মাসুদ বরিশালের ঘাট ত্যাগ করার সময় সুরভী-৯ লঞ্চের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে সুরভী-৯ লঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।





